📍 কিশোরগঞ্জ | লোড হচ্ছে...
বিনোদন

ইমরান খানকে ভারত ছাড়ার নির্দেশ, হাইকোর্টে যাচ্ছেন অভিনেতা

নিজস্ব প্রতিবেদক / কিশোরগঞ্জ জার্নাল ১৬ অক্টোবর, ২০২৬
শেয়ার:
ইমরান খানকে ভারত ছাড়ার নির্দেশ, হাইকোর্টে যাচ্ছেন অভিনেতা
📷 ছবি: সংগৃহীত
বলিউড অভিনেতা ইমরান খানকে ভারত ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে ফরেনার্স রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিস (এফআরআরও)। যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক ও ওভারসিজ সিটিজেন অব ইন্ডিয়া (ওসিআই) কার্ডধারী এই অভিনেতা আদেশের বিরুদ্ধে বোম্বে হাইকোর্টে রিট আবেদন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁর আইনজীবী জুলফিকার মেমন উচ্চ আদালতে মামলাটি দায়ের করবেন। ২০০০-এর দশকের শেষ দিকে বেশ কয়েকটি ব্যবসাসফল চলচ্চিত্রে অভিনয় করা ইমরান খানকে আগামী ২৮ অক্টোবরের মধ্যে ভারত ছাড়তে বলা হয়েছে। মুম্বাইয়ে ‘কাকরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি) আয়োজিত একটি প্রতিবাদ সমাবেশে অংশ নেওয়ার পর তাঁকে আটক করা হয়েছিল। ওই সমাবেশ থেকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করা হয়। সমাবেশে অংশ নেওয়ার পর বিজেপি নেতা কীরিট সোমাইয়া পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন। তাঁর অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হওয়া সত্ত্বেও ইমরান খান আইন লঙ্ঘন করে রাজনৈতিক বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন। পরে পুলিশ অভিযোগটি এফআরআরওর কাছে পাঠায়। এর পরিপ্রেক্ষিতেই অভিনেতাকে ভারত ছাড়ার নোটিশ দেওয়া হয়। নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, ইমরান খানের ওসিআই কার্ড থাকলেও তিনি কোনো রাজনৈতিক প্রতিবাদ বা আন্দোলনে অংশ নিতে পারবেন না। অভিবাসন ও বিদেশি আইন, ২০২৫-এর বিধান অনুযায়ী এই নোটিশ জারি করা হয়েছে। আইনের ৭ ধারা অনুসারে, ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার বিদেশি নাগরিকদের প্রবেশ, প্রস্থান, অবস্থান কিংবা চলাচল নিয়ন্ত্রণ, সীমিত বা নিষিদ্ধ করার নির্দেশ দিতে পারে। সরকারের এই সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেছেন সমাজবাদী পার্টির মহারাষ্ট্র ইউনিটের প্রধান আবু আজমি। তিনি বলেন, সিদ্ধান্তটি সম্পূর্ণ অন্যায় এবং ইমরান খান এই দেশেরই সন্তান। আবু আজমির ভাষ্য, ইমরান খান অন্য দেশের নাগরিকত্ব গ্রহণ করলেও ভারতের সঙ্গে এবং তাঁর পূর্বপুরুষদের মাটির সঙ্গে গভীর সম্পর্ক রয়েছে। অনেকেই বিদেশে বসবাস করলেও জন্মভূমির প্রতি ভালোবাসা ধরে রাখেন। তাঁর মতে, ইমরান খান ভারতে এসে কোনো মন্তব্য বা প্রতিবাদ করায় এত কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া এবং দ্রুত দেশ ছাড়তে বাধ্য করা সরকারের ব্যর্থতা আড়াল করার চেষ্টা। জানা গেছে, মুম্বাইয়ের ঐতিহাসিক আগস্ট বিপ্লব ময়দানে আয়োজিত ওই প্রতিবাদ সমাবেশে ইমরান খানের সঙ্গে তাঁর সঙ্গী লেখা ওয়াশিংটন এবং চাচাতো বোন জাইন মারি খানও অংশ নিয়েছিলেন। বিক্ষোভের সময় পুলিশ তাঁদের আটক করলেও পরে ছেড়ে দেয়। আটকের পর পুলিশের ভ্যানে বসে থাকা একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেন ইমরান খান। ছবির সঙ্গে রসিকতা করে তিনি লেখেন, মনে হচ্ছে তিনি কোথাও বেড়াতে যাচ্ছেন। বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে অভিনেতা বলেন, তাঁর কোনো বিশেষ দাবি নেই। শহরের একজন সাধারণ মানুষ ও বাসিন্দা হিসেবেই তিনি সেখানে উপস্থিত হয়েছেন। তিনি আরও বলেন, মানুষের চলাফেরার স্বাধীনতায় কেন বাধা দেওয়া হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষের কণ্ঠস্বর কেন চেপে ধরা হচ্ছে, তা দেখতে তিনি সেখানে গিয়েছিলেন। এসব কারণেই প্রতিবাদ সমাবেশে তাঁর অংশগ্রহণ বলে জানান অভিনেতা।
← প্রচ্ছদে ফিরে যানকিশোরগঞ্জ জার্নাল অনলাইন

আরও পড়ুন

আরও খবর →