📍 কিশোরগঞ্জ | লোড হচ্ছে...

বিভাগ: খেলা

মোট খবর: 23 টি
সায়েম সোবহান আনভীরের হাত ধরে বিশ্ববিদ্যালয় ক্রীড়াঙ্গনে নতুন সম্ভাবনা

সায়েম সোবহান আনভীরের হাত ধরে বিশ্ববিদ্যালয় ক্রীড়াঙ্গনে নতুন সম্ভাবনা

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঠের খেলায় আরও সম্পৃক্ত করা এবং প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের বিকাশের সুযোগ তৈরি করতে প্রথমবারের মতো আয়োজন করা হচ্ছে ‘এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ২০২৬’। আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপের (এবিজি) উদ্যোগে আয়োজিত এই টুর্নামেন্টে দেশের ১০টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ক্রিকেট ও ফুটবলে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। আগামী ২৫ অক্টোবর আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন এবিজি স্পোর্টস সিটিতে ফ্লাডলাইটের আলোয় শুরু হবে এই ক্রীড়া আয়োজন। টুর্নামেন্টকে ঘিরে আনুষ্ঠানিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে শনিবার রাতে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় এবিজি চেয়ারম্যান সায়েম সোবহান আনভীরের বাসভবনে অনুষ্ঠিত হয়েছে বর্ণাঢ্য ‘ক্যাপ্টেনস মিট অ্যান্ড গ্রিট’। অনুষ্ঠানে টুর্নামেন্টের লোগো উন্মোচন করেন এবিজি চেয়ারম্যান। এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে প্রতিযোগিতামূলক ক্রীড়া চর্চাকে আরও গতিশীল করার নতুন উদ্যোগের সূচনা হলো। প্রথমবারের মতো আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় ক্রিকেট ও ফুটবলের জন্য থাকছে পৃথক টুর্নামেন্ট। দেশের শীর্ষস্থানীয় ১০টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০টি দল শিরোপা জয়ের লক্ষ্যে মাঠে নামবে। রাতের ফ্লাডলাইটে অনুষ্ঠিতব্য ম্যাচগুলো শিক্ষার্থীদের জন্য যেমন নিজেদের ক্রীড়ানৈপুণ্য তুলে ধরার সুযোগ তৈরি করবে, তেমনি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে সুস্থ প্রতিযোগিতা ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য বৃদ্ধিতেও ভূমিকা রাখবে। টুর্নামেন্টে অংশ নিচ্ছে আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ (AIUB), নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি, ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ (IUB), ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ (ULAB), সোনারগাঁও ইউনিভার্সিটি, ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (UIU), ফেয়ারইস্ট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, ইউনিভার্সিটি অব স্কলার্স এবং ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি। তরুণ খেলোয়াড়দের প্রতিযোগিতায় আরও উৎসাহিত করতে আকর্ষণীয় প্রাইজমানিও ঘোষণা করেছে আয়োজক কর্তৃপক্ষ। চ্যাম্পিয়ন দলের জন্য রাখা হয়েছে ১০ লাখ টাকা এবং রানার্স-আপ দলের জন্য ৫ লাখ টাকা। এই আর্থিক পুরস্কার বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের খেলোয়াড়দের মধ্যে প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব জোরদার করার পাশাপাশি নিয়মিত ও পেশাদার ক্রীড়া চর্চায় আগ্রহ বাড়াবে বলে আশা করা হচ্ছে। দেশের ক্রীড়া অবকাঠামোর উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক মানের খেলাধুলার পরিবেশ তৈরিতে এবিজি চেয়ারম্যান সায়েম সোবহান আনভীরের উদ্যোগ ও পৃষ্ঠপোষকতায় বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। বসুন্ধরা কিংসের আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সাফল্য এবং আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন এবিজি স্পোর্টস সিটি গড়ে তোলার ধারাবাহিকতায় নতুন এই টুর্নামেন্টকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ক্রীড়া বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের প্রতিভা বিকাশের পাশাপাশি ভবিষ্যতে জাতীয় পর্যায়ের খেলোয়াড় উঠে আসার ক্ষেত্রও আরও বিস্তৃত হবে বলে প্রত্যাশা আয়োজকদের। ‘ক্যাপ্টেনস মিট অ্যান্ড গ্রিট’ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এবিজি স্পোর্টস সিটির ডিরেক্টর ইমরুল হাসান, অ্যাডভাইজার বিদ্যুৎ কুমার ভৌমিক, টি স্পোর্টসের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর তাসভির উল ইসলাম, অপারেশন্স ম্যানেজার সালমান হাসান এবং ইকরাম হোসেন রাফি। অনুষ্ঠানে ক্রিকেট ও ফুটবলে অংশগ্রহণকারী ২০টি দলের অধিনায়ক এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া অধিনায়কেরা জানান, পেশাদার পরিবেশে নিজেদের দক্ষতা ও প্রতিভা তুলে ধরার সুযোগ পাওয়া তাঁদের জন্য আনন্দ ও গর্বের বিষয়। তাঁদের মতে, এ ধরনের আয়োজন বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে খেলাধুলার প্রতি শিক্ষার্থীদের আগ্রহ বাড়ানোর পাশাপাশি দলীয় সংহতি, শৃঙ্খলা ও প্রতিযোগিতামূলক মানসিকতা গড়ে তুলতে সহায়তা করবে। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, ‘এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ২০২৬’ শুধু একটি টুর্নামেন্টে সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে নিয়মিত ক্রীড়া চর্চার পরিবেশ তৈরি, প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের সামনে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি এবং দেশের ক্রীড়াঙ্গনের ভবিষ্যৎ তারকা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।

১১ অক্টোবর, ২০২৬বিস্তারিত পড়ুন →
আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপের আয়োজনে শুরু হচ্ছে এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ

আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপের আয়োজনে শুরু হচ্ছে এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ

বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া তরুণদের মাঠমুখী করা এবং দেশের ক্রীড়াঙ্গনে নতুন প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ তৈরির লক্ষ্য নিয়ে প্রথমবারের মতো একসঙ্গে ক্রিকেট ও ফুটবল টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে যাচ্ছে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ। আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়া অবকাঠামো, করপোরেট পৃষ্ঠপোষকতা ও টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচারের পরিকল্পনায় আয়োজিত এই প্রতিযোগিতার নাম দেওয়া হয়েছে ‘এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ’। দেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অংশগ্রহণে এই আয়োজন বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। চলতি অক্টোবর মাসে বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির দুটি আন্তর্জাতিক মানের ভেন্যু—বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনা ও আনভীর ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে টুর্নামেন্টের ম্যাচগুলো। ক্রিকেট ও ফুটবল প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী ম্যাচ মাঠে গড়াবে যথাক্রমে ২৫ ও ২৬ অক্টোবর। দেশের ১০টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১০টি করে দল অংশ নেবে এই আসরে। দুই গ্রুপে বিভক্ত হয়ে দলগুলো প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। গ্রুপ পর্বের খেলা শেষে প্রতি গ্রুপের শীর্ষ দুটি দল সেমিফাইনালে উঠবে। সেমিফাইনালের বিজয়ীরা লড়বে শিরোপার জন্য। ক্রিকেট ও ফুটবল—উভয় বিভাগের চ্যাম্পিয়ন দল পাবে ১০ লাখ টাকা করে প্রাইজমানি। রানার্সআপ দলের জন্য থাকছে পাঁচ লাখ টাকা করে পুরস্কার। সব ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ফ্লাডলাইটের আলোয়। আগামী ৩ নভেম্বর ফুটবল এবং ১৩ নভেম্বর ক্রিকেটের ফাইনালের মধ্য দিয়ে পর্দা নামবে প্রথম এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপের। বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে বহুমাত্রিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন একটি পূর্ণাঙ্গ ক্রীড়া কমপ্লেক্স হিসেবে গড়ে উঠেছে এবিজি স্পোর্টস সিটি। এখানে ফুটবল, ক্রিকেট, বাস্কেটবল, বক্সিং, স্কোয়াশ, ফুটসাল, সাঁতার, প্যাডেল টেনিস ও ব্যাডমিন্টনসহ বিভিন্ন ধরনের খেলার আয়োজনের ব্যবস্থা রয়েছে। দেশীয় প্রতিযোগিতার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যায়ের ক্রীড়া আয়োজনের উপযোগী অবকাঠামো গড়ে তোলাই এই স্পোর্টস হাবের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। এবিজি স্পোর্টস সিটির অন্যতম আকর্ষণ বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনা। ফুটবল ভেন্যু হিসেবে ফিফার স্বীকৃতি পাওয়া এই মাঠে নিয়মিত আন্তর্জাতিক ও ঘরোয়া ফুটবল প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এটি বসুন্ধরা কিংস ফুটবল ক্লাবের নিজস্ব হোম ভেন্যু। বাংলাদেশ তো বটেই, উপমহাদেশের ক্লাব ফুটবলেও নিজস্ব স্টেডিয়ামকেন্দ্রিক অবকাঠামো গড়ে তোলার ক্ষেত্রে কিংস অ্যারেনা একটি উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত। অন্যদিকে, কিংস অ্যারেনার পাশেই অবস্থিত আনভীর ক্রিকেট স্টেডিয়ামও ইতোমধ্যে ক্রীড়াপ্রেমীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। সম্প্রতি এই মাঠে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যকার ক্রিকেট সিরিজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট আয়োজনের মধ্য দিয়ে স্টেডিয়ামটি দেশের ক্রীড়া অবকাঠামোয় নতুন সম্ভাবনার পরিচয় দিয়েছে। বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির পরিচালক মো. ইমরুল হাসান দেশের ক্রীড়াঙ্গনের পরিচিত ব্যক্তিত্ব। তিনি বসুন্ধরা কিংসের সভাপতি এবং বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সিনিয়র সহসভাপতির দায়িত্বেও রয়েছেন। এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ আয়োজনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে ইমরুল হাসান বলেন, বসুন্ধরা গ্রুপ সব সময় দেশের খেলাধুলার উন্নয়নে কাজ করে আসছে। এবিজি স্পোর্টস সিটি একটি পূর্ণাঙ্গ স্পোর্টস কমপ্লেক্স, যেখানে বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলার ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা রাখা হয়েছে। তিনি জানান, তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলার প্রতি আরও আগ্রহী করে তোলা এবং বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ক্রীড়া চর্চার পরিসর বাড়ানোই এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ আয়োজনের প্রধান লক্ষ্য। টুর্নামেন্টের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরে ইমরুল হাসান বলেন, প্রাথমিকভাবে ক্রিকেট ও ফুটবল দিয়ে এই আয়োজন শুরু হচ্ছে। প্রথম আসরে ১০টি করে দল অংশ নেবে। তবে আগামী ডিসেম্বর মাসে ৫০টি বিশ্ববিদ্যালয়কে নিয়ে আরও বড় পরিসরে এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। সে ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতার ব্যাপ্তি ও পরিসর আরও বাড়বে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। বাংলাদেশে স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনের প্রচলন দীর্ঘদিনের। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়েও আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় টুর্নামেন্ট নিয়মিত অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। তবে একই উদ্যোগের আওতায় ক্রিকেট ও ফুটবল—দুটি জনপ্রিয় খেলাকে কেন্দ্র করে করপোরেট পৃষ্ঠপোষকতায় বড় পরিসরের প্রতিযোগিতা আয়োজন এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। আন্তর্জাতিক মানের ভেন্যু, আকর্ষণীয় প্রাইজমানি, ফ্লাডলাইটে খেলা এবং টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচারের পরিকল্পনা এই আয়োজনকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের প্রচলিত ক্রীড়া প্রতিযোগিতার বাইরে নতুন মাত্রা দেবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রতিভা বিকাশ, প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব তৈরি এবং নিয়মিত খেলাধুলায় অংশগ্রহণের সুযোগ বাড়বে। পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ক্রীড়াভিত্তিক যোগাযোগ ও সুস্থ প্রতিদ্বন্দ্বিতার পরিবেশও আরও শক্তিশালী হতে পারে। সব মিলিয়ে, এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ কেবল একটি ক্রিকেট ও ফুটবল টুর্নামেন্ট নয়; বরং বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের খেলাধুলাকে আরও সংগঠিত, আকর্ষণীয় ও দর্শকনির্ভর করে তোলার একটি উদ্যোগ। প্রথম আসরের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ডিসেম্বরের সম্ভাব্য বৃহত্তর আয়োজন বাস্তবায়িত হলে দেশের বিশ্ববিদ্যালয় ক্রীড়াঙ্গনে নতুন একটি ধারার সূচনা হতে পারে।

৯ অক্টোবর, ২০২৬বিস্তারিত পড়ুন →
ফিফা সভাপতি নির্বাচন: সেফেরিন ও মন্তাগলিয়ানি সরে দাঁড়ানোয় ইনফান্তিনোর পথ প্রায় পরিষ্কার

ফিফা সভাপতি নির্বাচন: সেফেরিন ও মন্তাগলিয়ানি সরে দাঁড়ানোয় ইনফান্তিনোর পথ প্রায় পরিষ্কার

আগামী মার্চের ফিফা সভাপতি নির্বাচনে আবারও জয়ের দিকে অনেকটা এগিয়ে গেলেন জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। বিশ্ব ফুটবলের শীর্ষ পদে তাঁর সম্ভাব্য দুই শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী, উয়েফা সভাপতি আলেকজান্ডার সেফেরিন ও কনকাকাফ সভাপতি ভিক্টর মন্তাগলিয়ানি, এই নির্বাচনে না লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কিছুদিন আগেও চিত্র ছিল ভিন্ন। বিশ্বকাপের বাণিজ্যিক স্বত্ব বিক্রির পরিকল্পনা নিয়ে ইউরোপ, এশিয়া ও আমেরিকার মহাদেশীয় ফুটবল সংস্থাগুলোর তীব্র বিরোধিতার মুখে পড়েছিলেন ফিফা প্রধান। ফলে এবারের নির্বাচনে তাঁকে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হতে পারে বলে আলোচনা চলছিল। সেই সমীকরণ এখন পাল্টে গেছে। সেফেরিন আগে পদ ছাড়ার কথা বললেও পরে সিদ্ধান্ত বদলেছেন। তিনি উয়েফা সভাপতি পদে চতুর্থ মেয়াদের জন্য লড়বেন বলে জানিয়েছেন। এর মাধ্যমে পরোক্ষভাবে পরিষ্কার হয়ে গেছে, ফিফার সভাপতি পদে তিনি প্রার্থী হচ্ছেন না। সেফেরিন বলেছেন, ফুটবল বিক্রির জিনিস নয়, উয়েফা বছরের পর বছর এই বার্তাই দিয়ে আসছে। তাঁর মতে, এখন সবচেয়ে জরুরি কাজ ঐক্য ও সুশাসন ফিরিয়ে আনা। মন্তাগলিয়ানিও একই পথে হেঁটেছেন। উত্তর ও মধ্য আমেরিকা-ক্যারিবীয় অঞ্চলের সংস্থা কনকাকাফের সভাপতি হিসেবে শেষ মেয়াদের জন্য নির্বাচনে লড়বেন তিনি, ফিফার শীর্ষ পদে নয়। দুই প্রভাবশালী কর্মকর্তা নিজ নিজ সংস্থায় থাকার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় ইনফান্তিনোর সামনে এখন বড় কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী নেই। ফলে ফিফার শীর্ষ পদে তাঁর পুনর্নির্বাচনের সম্ভাবনা আগের চেয়ে অনেক বেশি জোরালো হয়েছে।

৯ অক্টোবর, ২০২৬বিস্তারিত পড়ুন →
মেসি ম্যাজিক, এক গোল ও দুই অ্যাসিস্টে রাজকীয় বিদায়

মেসি ম্যাজিক, এক গোল ও দুই অ্যাসিস্টে রাজকীয় বিদায়

আন্তর্জাতিক ফুটবলে লিওনেল মেসির শেষ ম্যাচটাও হলো তাঁর বর্ণময় ক্যারিয়ারের মতোই স্মরণীয়। আর্জেন্টিনার আকাশি-সাদা জার্সিতে ২১ বছরের পথচলার ইতি টানলেন ফুটবলের এই মহাতারকা। বুয়েনস এইরেসের ঐতিহাসিক মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামে বিদায়ী ম্যাচে বেনিনকে ৩-০ গোলে হারিয়েছে আর্জেন্টিনা। বিদায়ের মঞ্চে নিজে একটি গোল করার পাশাপাশি সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন আরও দুটি গোল। ম্যাচ শুরুর আগেই মেসিকে ঘিরে মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামে তৈরি হয় আবেগঘন পরিবেশ। গ্যালারিজুড়ে ছিল সমর্থকদের উচ্ছ্বাস, করতালি ও ভালোবাসার প্রকাশ। শেষবারের মতো জাতীয় দলের জার্সিতে মেসিকে মাঠে নামতে দেখে আবেগে ভেসে যান আর্জেন্টাইন সমর্থকেরা। মেসির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ম্যাচের ১০ মিনিটে খেলা থামিয়ে দেওয়া হয়। এ সময় স্টেডিয়ামের হাজারো দর্শক দাঁড়িয়ে করতালি ও স্লোগানের মাধ্যমে প্রিয় তারকাকে অভিবাদন জানান। মুহূর্তটি হয়ে ওঠে মেসির আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের অন্যতম আবেগঘন দৃশ্য। তবে বিদায়ী ম্যাচেও পারফরম্যান্সে কোনো ছাড় দেননি আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। শুরু থেকেই বলের নিয়ন্ত্রণ, আক্রমণ তৈরি এবং সতীর্থদের সুযোগ করে দেওয়ার ক্ষেত্রে ছিলেন স্বমহিমায়। তাঁর পাস থেকেই নিকোলাস ওতামেন্দি ও নিকো পাজ গোল করে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে দেন। এরপর আসে মেসির নিজের গোলের মুহূর্ত। ম্যাচের ৭১ মিনিটে বেনিনের বক্সে অগাস্টিন জিয়াই ফাউলের শিকার হলে পেনাল্টি পায় আর্জেন্টিনা। স্পট কিকে মেসির সামনে সুযোগ আসে বিদায়ী ম্যাচকে নিজের নামে স্মরণীয় করে রাখার। সেই সুযোগ হাতছাড়া করেননি তিনি। শক্তিশালী শটে বল পাঠিয়ে দেন গোলের ওপরের কোণায়। বেনিনের গোলরক্ষক সঠিক দিক অনুমান করতে না পারায় মেসির শট ঠেকানোর কোনো সুযোগই পাননি। গোলের পর সতীর্থরা মেসিকে ঘিরে উল্লাসে মেতে ওঠেন। গ্যালারিতেও ছড়িয়ে পড়ে উচ্ছ্বাস। জাতীয় দলের জার্সিতে এটি মেসির ১২৬তম গোল। শেষ পর্যন্ত ৩-০ গোলের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে আর্জেন্টিনা। তবে এই জয়কে ছাপিয়ে গেছে মেসির বিদায়ের আবেগ। যে জার্সিতে তিনি বিশ্বকাপ ও কোপা আমেরিকার শিরোপা জিতেছেন এবং অসংখ্য রেকর্ড গড়েছেন, সেই জার্সিতে শেষবারের মতো মাঠ ছাড়ার মুহূর্তটি হয়ে থাকল ফুটবল ইতিহাসের স্মরণীয় এক দৃশ্য। এক গোল ও দুই অ্যাসিস্টে নিজের বিদায়ী ম্যাচকে আরও মহিমান্বিত করলেন মেসি। ২১ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে আর্জেন্টিনাকে সাফল্যের শিখরে নিয়ে যাওয়া এই কিংবদন্তি এবার হাসিমুখেই বিদায় জানালেন আন্তর্জাতিক ফুটবলকে।

৭ অক্টোবর, ২০২৬বিস্তারিত পড়ুন →
মেসির বিদায়, শেষ ম্যাচের জন্য প্রস্তুত আর্জেন্টিনার মঞ্চ

মেসির বিদায়, শেষ ম্যাচের জন্য প্রস্তুত আর্জেন্টিনার মঞ্চ

আর মাত্র একটি ম্যাচ। এরপরই শেষ হবে আর্জেন্টিনার জার্সিতে লিওনেল মেসির দীর্ঘ ও বর্ণাঢ্য আন্তর্জাতিক অধ্যায়। বেনিনের বিপক্ষে ৬ অক্টোবরের ম্যাচটি বাংলাদেশ সময় ৭ অক্টোবর ভোরে খেলবেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা। বুয়েন্স আইরেসের মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচের মধ্য দিয়ে জাতীয় দলের হয়ে দুই দশকের বেশি সময়ের ক্যারিয়ারের ইতি টানবেন তিনি। নিজ দেশের জার্সিতে শেষ ম্যাচের আগে জাতীয় দলের সঙ্গে শেষবারের মতো অনুশীলন করেছেন মেসি। রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে কোচিং স্টাফদের অধীনে অনুশীলন শুরু করে আর্জেন্টিনা। বেনিনের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে সোমবার শেষবারের মতো অনুশীলনে নামবে দলটি। ম্যাচের আগে মেসি ও কোচ লিওনেল স্কালোনির গণমাধ্যমের মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। জাতীয় দলের হয়ে শেষ ম্যাচে মেসির গায়ে দেখা যাবে বিশেষ নকশার জার্সি। আকাশি-সাদা রঙের সেই জার্সির নকশায় থাকবে আর্জেন্টিনার জাতীয় পতাকার সূর্য এবং মেসির নাম ও জার্সি নম্বর থাকবে সোনালি রঙে। ম্যাচ শেষে স্মারক হিসেবে জার্সিটি তার ব্যক্তিগত সংগ্রহে জায়গা পাবে। আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা আগেই দিয়েছিলেন মেসি। তবে দেশের মাটিতে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় জানাতে বিশেষ আয়োজন করেছে আর্জেন্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ)। ২ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্র থেকে আর্জেন্টিনায় পৌঁছান তিনি। এরপর নিজ শহর রোজারিওতে দুই দিন কাটিয়ে রোববার বুয়েন্স আইরেসে ফেরেন এবং জাতীয় দলের অনুশীলনে যোগ দেন। মেসির বিদায়ী ম্যাচকে স্মরণীয় করে তুলতে ২০২২ বিশ্বকাপজয়ী আর্জেন্টিনা দলের সদস্যদেরও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এএফএ সভাপতি ক্লদিও তাপিয়া জানিয়েছেন, কাতার বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্যদের পরিবারসহ এই বিশেষ আয়োজনে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। মেসিকে বিদায় জানাতে সতীর্থরাও বিশেষ আয়োজন করেছেন। আর্জেন্টিনার নেতৃত্ব পাওয়া কুতি রোমেরো জানিয়েছেন, মেসির প্রতি তার ভালোবাসা ভাষায় প্রকাশ করতে না পারার আক্ষেপ থাকবে। মেসির পরামর্শেই জাতীয় দলের নেতৃত্বের জন্য তাকে বেছে নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। মেসিকে ছাড়া আর্জেন্টিনার প্রথম ম্যাচে গত বৃহস্পতিবার বলিভিয়াকে ৪-০ গোলে হারিয়েছে দলটি। এরপর রোববার ভোরে বুরকিনা ফাসোর বিপক্ষে সাত গোল করেছে বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। গত বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হেরে রানার্সআপ হওয়ার পর জাতীয় দল থেকে অবসরের ঘোষণা দেন মেসি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া বার্তায় তিনি জানান, দীর্ঘ সময় ভেবেচিন্তে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবং জাতীয় দলের জার্সির জন্য সবসময় নিজের সর্বোচ্চটা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। জাতীয় দলের হয়ে দেশের মানুষকে আনন্দ দেওয়াই তার অন্যতম লক্ষ্য ছিল উল্লেখ করে মেসি বলেন, ফুটবলের মাধ্যমে আর্জেন্টাইন হিসেবে যেন সবাই গর্ববোধ করেন, সেই চেষ্টাই তিনি করে গেছেন। অবসরের সিদ্ধান্তের কষ্টের কথাও তুলে ধরেন মেসি। তিনি জানান, জাতীয় দলের সঙ্গে থাকা তিনি ভালোবাসেন এবং সবসময় ভালোবাসবেন। তবে তার মনে হয়েছে, এখন সরে দাঁড়ানোর সময় এসেছে। পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের বেশ কিছু প্রতিভাবান খেলোয়াড় জাতীয় দলে জায়গা পাওয়ার যোগ্য বলেও উল্লেখ করেন তিনি। ভক্তদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। দুই দশক ধরে পাওয়া ভালোবাসা ও সমর্থনের জন্য সমর্থকদের ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, মাঠের ভেতর থেকে তাদের সমর্থনের আওয়াজ খুব মিস করবেন। এখন থেকে বাইরে থেকে একজন সমর্থক হিসেবে জাতীয় দলকে পাশে থাকার কথা জানান তিনি। এই দীর্ঘ যাত্রায় পাশে থাকার জন্য পরিবারের সদস্যদেরও ধন্যবাদ জানান মেসি। একই সঙ্গে যেসব কোচ, সতীর্থ ও কর্মকর্তার সঙ্গে কাজ করেছেন, তাদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি। জাতীয় দলের হয়ে সতীর্থদের সঙ্গে পাওয়া সাফল্য ও স্মরণীয় মুহূর্তগুলোর কথা উল্লেখ করে মেসি বলেন, আর্জেন্টিনার মানুষের সঙ্গে সেই স্বপ্নের মুহূর্তগুলো ভাগ করে নিতে পেরে তিনি শান্তি ও গর্ব অনুভব করছেন। শেষে আর্জেন্টিনার হয়ে খেলতে পারাকে সৃষ্টিকর্তার আশীর্বাদ হিসেবে উল্লেখ করে মেসি লেখেন, ‘আর্জেন্টাইন বানানোর জন্য ঈশ্বরকে ধন্যবাদ। ভামোস আর্জেন্টিনা।’

৫ অক্টোবর, ২০২৬বিস্তারিত পড়ুন →
ক্রীড়া কার্ড ও ভাতায় ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ, ৫০০ ক্রীড়াবিদকে সুবিধার আওতায় আনার পরিকল্পনা

ক্রীড়া কার্ড ও ভাতায় ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ, ৫০০ ক্রীড়াবিদকে সুবিধার আওতায় আনার পরিকল্পনা

ক্রীড়া কার্ড ও ভাতা বাবদ ২০০ কোটি টাকা আলাদা করে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। তিনি জানান, মোট ৫০০ জন ক্রীড়াবিদকে ক্রীড়া কার্ডের আওতায় আনা হবে। রোববার সচিবালয়ে ক্রীড়াবিদদের ক্রীড়া কার্ডের সুবিধার আওতায় আনতে পরিবহন মালিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা শেষে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি জানান, রেলপথ, বিমান ও সড়কপথসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ক্রীড়াবিদদের বিশেষ সুযোগ-সুবিধা দেবে সরকার। পাশাপাশি ক্রীড়াক্ষেত্রে পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করতেও কাজ করছে সরকার। ক্রীড়া কার্ড প্রসঙ্গে আমিনুল হক জানান, ইতিমধ্যে দেশের ৩০০ জন ক্রীড়াবিদকে ক্রীড়া কার্ড দেওয়া হয়েছে এবং তাদের ভাতার আওতায় আনা হয়েছে। মোট ৫০০ ক্রীড়াবিদকে এই কার্ড দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে, আর ইতিমধ্যে ৩১ জনকে ভাতা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। প্রতি চার মাস পরপর অ্যাথলেটদের পারফরম্যান্স মূল্যায়ন করে এই তালিকা হালনাগাদ করা হবে বলে জানান তিনি, যেখানে প্রতিবার কিছু ক্রীড়াবিদ তালিকা থেকে বাদ পড়বেন আবার নতুন কেউ অন্তর্ভুক্ত হবেন। তিনি আরও জানান, শিগগিরই নতুন করে ৯৫ জনকে এই তালিকায় যুক্ত করা হচ্ছে। তবে এখনো পর্যাপ্তসংখ্যক যোগ্য ক্রীড়াবিদ পাওয়া যায়নি বলে ৫০০ জনের নির্ধারিত কোটা এখনো পূর্ণ হয়নি। তার ভাষায়, ভালো মানের ক্রীড়াবিদ পেলেই তাদের এই তালিকায় যুক্ত করা হবে। ব্যক্তিগত কারণে বাংলাদেশ দল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নিতে পারেনি—এ বিষয়টি আগেও উল্লেখ করা হয়েছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতে এ ধরনের ভুল সিদ্ধান্ত যাতে আর না নেওয়া হয়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকবে সরকার। এশিয়ান গেমস প্রসঙ্গে মো. আমিনুল হক বলেন, এশিয়ান গেমস বা ফুটবলের সার্বিক ফলাফল নিয়ে তিনি খুব বেশি হতাশ নন। প্রাথমিকভাবে ফলাফল কিছুটা হতাশাজনক হলেও, সেই ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়াই এখন লক্ষ্য। এ বিষয়ে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদকে (এনএসসি) একটি মূল্যায়ন কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং প্রতিবেদন পাওয়ার পর সার্বিক বিষয় তুলে ধরা হবে বলে জানান তিনি। তিনি আরও জানান, আগামী পাঁচ বছর পর অলিম্পিকে পদকের জন্য লড়াই করার লক্ষ্যে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। এশিয়ান গেমসসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতার জন্য বছরব্যাপী প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে এবং ক্রীড়াবিদদের নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করবে সরকার বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।

৪ অক্টোবর, ২০২৬বিস্তারিত পড়ুন →
বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটিতে দুই ক্লাবের ক্রীড়া মিলনমেলা

বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটিতে দুই ক্লাবের ক্রীড়া মিলনমেলা

বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটিতে গুলশান ক্লাব ও চট্টগ্রাম ক্লাবের সদস্য ও খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয়েছে এক প্রাণবন্ত ক্রীড়া উৎসব। উৎসবে প্যাডেল টেনিস, ফুটবল, ক্রিকেট, টেবিল টেনিস, টেনিস, স্কোয়াশ ও ব্যাডমিন্টনসহ বিভিন্ন খেলায় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির প্যাডেল ও ফুটসাল কোর্টে একই সময়ে একাধিক খেলা চলায় পুরো আয়োজনজুড়ে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। বিভিন্ন খেলায় দুই ক্লাবের খেলোয়াড়দের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লড়াই দেখা গেলেও পুরো আয়োজন ছিল বন্ধুত্ব ও সৌহার্দ্যে ভরা। প্যাডেল টেনিসে দারুণ নৈপুণ্য দেখিয়ে ১১-১ ব্যবধানে জয় পায় গুলশান ক্লাব। ফুটবল ম্যাচেও ছিল উত্তেজনা। গুলশান ক্লাবের হয়ে ইশমাম এবং চট্টগ্রাম ক্লাবের হয়ে সাগর গোল করেন। শেষ পর্যন্ত ১-১ সমতায় ম্যাচটি ড্র হয়। অন্যদিকে, বৃষ্টির কারণে ক্রিকেট ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হতে না পারায় সেটিও ড্র হিসেবে গণ্য হয়। একসঙ্গে বিভিন্ন খেলা আয়োজনের মধ্য দিয়ে এ ক্রীড়া উৎসব ক্লাব ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের জন্য বহুমাত্রিক ক্রীড়া কার্যক্রম পরিচালনার সম্ভাবনাও তুলে ধরেছে। এমন আয়োজনের মাধ্যমে বিভিন্ন ক্লাব, প্রতিষ্ঠান ও ক্রীড়াপ্রেমীদের এক প্ল্যাটফর্মে নিয়ে এসে প্রাণবন্ত ক্রীড়া সংস্কৃতি গড়ে তোলার ধারাবাহিকতা বজায় রাখার প্রত্যয় জানিয়েছে বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটি।

৩ অক্টোবর, ২০২৬বিস্তারিত পড়ুন →
বাংলাদেশকে হারিয়ে এশিয়ান গেমসের ক্রিকেট ফাইনালে পাকিস্তান

বাংলাদেশকে হারিয়ে এশিয়ান গেমসের ক্রিকেট ফাইনালে পাকিস্তান

এশিয়ান গেমসের পুরুষ ক্রিকেটের সেমিফাইনালে বাংলাদেশকে ৬ উইকেটে হারিয়ে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে পাকিস্তান। বাংলাদেশের দেওয়া ১১২ রানের লক্ষ্য ৯ বল হাতে রেখেই পেরিয়ে গেছে পাকিস্তান। নিসশিনের কোরোগি স্পোর্টস পার্কে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। নির্ধারিত ১৩ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১১১ রান সংগ্রহ করে তারা। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ রান করেন তাওহীদ হৃদয়। ২৫ বলে ৪২ রানের ইনিংসে তিনি হাঁকান ২টি চার ও ৪টি ছক্কা। এ ছাড়া সাইফ হাসান ১৭ বলে ১৯ রান, মোসাদ্দেক হোসেন ১৬ বলে ১১ রান করেন। মাহেদী হাসান ৪ বলে ৮ রানে অপরাজিত থাকেন। বাংলাদেশের ইনিংসে অতিরিক্ত থেকে যোগ হয় ১৯ রান। পাকিস্তানের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল ছিলেন সুফিয়ান মুকিম। ৩ ওভারে ২৬ রান দিয়ে তিনি নেন ৩ উইকেট। আরাফাত মিনহাস ২৩ রান খরচ করে পান ২ উইকেট। অন্যদিকে সাইম আইয়ুব ২ ওভার বল করে মাত্র ৩ রান দিয়ে একটি উইকেট তুলে নেন। ১১২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে পাকিস্তান। দলীয় ৬ রানের মধ্যেই অধিনায়ক সাহিবজাদা ফারহানকে হারায় তারা। এরপর ১৬ রানে ফিরে যান মাজ সাদাকাত। ১২ বলে ২১ রান করে সাইম আইয়ুব আউট হন দলীয় ৩৮ রানে। এরপর উসমান খানও ১৪ রান করে ফিরে গেলে ৫৩ রানেই চার উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে পাকিস্তান। তবে সেখান থেকে ম্যাচের চিত্র বদলে দেন হাসান নওয়াজ ও আবদুল সামাদ। পঞ্চম উইকেটে মাত্র ২৪ বলে ৫০ রানের জুটি গড়ে দলকে জয়ের পথে এগিয়ে নেন তারা। হাসান নওয়াজ ২২ বলে ২৭ রান করে অপরাজিত থাকেন। অন্যদিকে আবদুল সামাদ ১৫ বলে ৩০ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন। তাঁর ইনিংসে ছিল ৫টি চার ও একটি ছক্কার মার। বাংলাদেশের হয়ে মাহেদী হাসান, নাসুম আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান ও রিশাদ হোসেন একটি করে উইকেট নেন। তবে বল হাতে ব্যয়বহুল ছিলেন মুস্তাফিজুর। ২ ওভারে তিনি খরচ করেন ৪১ রান। শেষ পর্যন্ত ১১.৩ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১১২ রান তুলে নেয় পাকিস্তান। ফলে ৬ উইকেটের জয় নিয়ে এশিয়ান গেমসের পুরুষ ক্রিকেটের ফাইনালে জায়গা করে নেয় তারা। আর সেমিফাইনালে হেরে বাংলাদেশের এশিয়ান গেমস অভিযান শেষ হয়।

১ অক্টোবর, ২০২৬বিস্তারিত পড়ুন →
ইন্দোনেশিয়ার কাছে ৯-২ গোলে বিধ্বস্ত বাংলাদেশ, এএফসি কাপ অভিযান শেষ হার দিয়ে

ইন্দোনেশিয়ার কাছে ৯-২ গোলে বিধ্বস্ত বাংলাদেশ, এএফসি কাপ অভিযান শেষ হার দিয়ে

ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে বড় ব্যবধানে হেরে FIFA ASEAN Cup-এ নিজেদের প্রথম অভিযান শেষ করল বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) জাকার্তার গেলোরা বুং কার্নো স্টেডিয়ামে গ্রুপ ‘এ’র শেষ ম্যাচে স্বাগতিকদের কাছে ৯-২ গোলে পরাজিত হয়েছে বাংলাদেশ। ম্যাচের শুরু থেকেই বাংলাদেশের ওপর চাপ তৈরি করে ইন্দোনেশিয়া। প্রথমার্ধেই ছয় গোল করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে নিয়ে নেয় স্বাগতিকরা। বিরতির সময় ইন্দোনেশিয়া এগিয়ে ছিল ৬-১ গোলে। দ্বিতীয়ার্ধেও আক্রমণের ধারাবাহিকতা ধরে রেখে শেষ পর্যন্ত ৯ গোল পূর্ণ করে তারা। ইন্দোনেশিয়ার জয়ের মূল নায়ক ছিলেন মিচেল লি বেকার। প্রথমার্ধেই চারবার বাংলাদেশের জালে বল পাঠান তিনি। ১১ ও ২০ মিনিটে দুটি গোল করার পর ৩৭ মিনিটে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন বেকার। এরপর ৪২ মিনিটে নিজের চতুর্থ গোলটি করেন তিনি। এর মধ্যে ৩২ মিনিটে রিজকি রিধোর গোলে ইন্দোনেশিয়া ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। তিন গোল হজম করেও হাল ছাড়েনি বাংলাদেশ। ৩৬ মিনিটে শারিয়ার ইমনের গোলে ব্যবধান কমিয়ে ১-৩ করে বাংলাদেশ। এই গোলটিই ছিল টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের প্রথম গোল। তবে বাংলাদেশের আনন্দ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। এক মিনিট পরই বেকার নিজের তৃতীয় গোল করে ইন্দোনেশিয়াকে আবার তিন গোলের ব্যবধানে এগিয়ে দেন। ৪২ মিনিটে বেকারের চতুর্থ গোলের পর প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে জাস্টিন হুবনার গোল করলে ৬-১ ব্যবধানে বিরতিতে যায় দুই দল। দ্বিতীয়ার্ধেও বাংলাদেশের ওপর চাপ অব্যাহত রাখে ইন্দোনেশিয়া। গোলরক্ষক মেহেদী হাসান শ্রাবণ বেশ কয়েকটি ভালো সেভ করে ব্যবধান আরও বাড়তে দেননি। তবে শেষ পর্যন্ত স্বাগতিকদের আক্রমণ সামলাতে পারেনি বাংলাদেশ। ম্যাচের শেষ দিকে আরও তিন গোল করে ইন্দোনেশিয়া। বাংলাদেশের হয়ে দ্বিতীয় গোলটি করেন বদলি হিসেবে নামা ফারহান আলী ওয়াহিদ। শেষ পর্যন্ত ৯-২ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে স্বাগতিকরা। এই জয়ে গ্রুপ ‘এ’র শীর্ষস্থান নিশ্চিত করে ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে ইন্দোনেশিয়া। একই সময়ে অন্য ম্যাচে মালয়েশিয়া সিঙ্গাপুরকে ৬-০ গোলে হারালেও ইন্দোনেশিয়া গোল ব্যবধানে এগিয়ে থেকে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়। ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ থাইল্যান্ড। অন্যদিকে বাংলাদেশের জন্য টুর্নামেন্টটি শেষ হলো তিন ম্যাচে তিন পরাজয় দিয়ে। প্রথম ম্যাচে মালয়েশিয়ার কাছে ৩-০ গোলে হারের পর দ্বিতীয় ম্যাচে সিঙ্গাপুরের কাছে ১-০ গোলে হারে বাংলাদেশ। শেষ ম্যাচে ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে ৯ গোল হজম করতে হয়েছে। তিন ম্যাচে বাংলাদেশের গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে দুইটি, বিপরীতে প্রতিপক্ষের জালে বল পাঠাতে হয়েছে মোট ১৩ বার। শেষ ম্যাচে দুটি গোল পেলেও ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে বড় পরাজয় দিয়েই শেষ হলো বাংলাদেশের FIFA ASEAN Cup অভিযান।

১ অক্টোবর, ২০২৬বিস্তারিত পড়ুন →
প্রথম ম্যাচের প্রতিশোধ, অস্ট্রেলিয়াকে ৪-২ গোলে হারাল ব্রাজিল

প্রথম ম্যাচের প্রতিশোধ, অস্ট্রেলিয়াকে ৪-২ গোলে হারাল ব্রাজিল

দ্বিপাক্ষিক সিরিজের দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে অস্ট্রেলিয়াকে ৪-২ গোলে হারিয়েছে সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। দলের হয়ে স্কোরশিটে নাম লিখিয়েছেন ভ্যান্ডারসন, রাফিনিয়া, ব্রুনো ও ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। মঙ্গলবার ব্রিসবেনের ল্যাঙ্ক পার্ক স্টেডিয়ামে সেলেসাওদের আতিথ্য দেয় অস্ট্রেলিয়া। ম্যাচের শুরুতেই এগিয়ে যায় ব্রাজিল—৩ মিনিটেই ভ্যান্ডারসনের গোলে লিড পায় অতিথিরা। তবে কোচ কার্লো আনচেলত্তির শিষ্যরা সেই লিড বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেননি। ২৮ মিনিটে ম্যাচে সমতা ফেরান স্বাগতিক সেন্টার ব্যাক আলেসান্দ্রো চিরকাতি, আর এর পাঁচ মিনিট পরই ফের গোল হজম করে ব্রাজিল, এবার লক্ষ্যভেদ করেন কনর মেটকাফ। প্রথমার্ধের নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার কয়েক সেকেন্ড আগে ডি-বক্সের ভেতরে অস্ট্রেলিয়ান ডিফেন্ডারদের ফাউলের শিকার হয়ে পেনাল্টি আদায় করে নেয় ব্রাজিল। সেই স্পটকিক থেকে গোল করে দ্বিতীয়বারের মতো দলকে সমতায় ফেরান বার্সেলোনার তারকা রাফিনিয়া। ফলে ২-২ সমতায় শেষ হয় ম্যাচের প্রথমার্ধ। বিরতির পর একের পর এক আক্রমণের ঢেউ তোলে ব্রাজিল, যার মুখে রীতিমতো কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়তে হয় অস্ট্রেলিয়ার রক্ষণভাগকে। ৬৯ মিনিটে দ্বিতীয়বারের মতো লিড নেয় সেলেসাওরা, এবার আর্সেনালের মিডফিল্ডার ব্রুনো গিমারায়েসের দুর্দান্ত এক গোলে এগিয়ে যায় দলটি। এরপর ম্যাচে ফিরতে মরিয়া হয়ে ওঠে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া, তবে প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগকে ফাঁকি দিয়ে বল জালে জড়াতে ব্যর্থ হয় তাদের আক্রমণভাগ। উল্টো ৮০ মিনিটে দ্বিতীয় পেনাল্টি আদায় করে নেয় ব্রাজিল, যখন বল নিয়ে আক্রমণে ওঠার সময় ডি-বক্সের ভেতর ফাউলের শিকার হন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। সেই স্পটকিক থেকে গোল করে দলকে আরও বড় ব্যবধানে এগিয়ে নেন এই রিয়াল মাদ্রিদ ফরোয়ার্ড। শেষ পর্যন্ত ৪-২ গোলের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। উল্লেখ্য, দুই দলের প্রথম প্রীতি ম্যাচটি ১-১ গোলে ড্র হয়েছিল, যেখানে শেষ মুহূর্তে সমতা ফিরিয়েছিল ব্রাজিল। এবার দ্বিতীয় ম্যাচে জয় দিয়ে সেই আক্ষেপ ঘুচিয়ে ফেলল দলটি। আগামী শনিবার ভারতের বিপক্ষে আরেকটি আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে মাঠে নামবে ব্রাজিল। কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে (সল্টলেক স্টেডিয়াম) বাংলাদেশ সময় রাত ৮টায় শুরু হবে এই ম্যাচ।

২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬বিস্তারিত পড়ুন →
গোল করতে না পারার পুরনো রোগেই এবার সিঙ্গাপুরের কাছে হার বাংলাদেশের

গোল করতে না পারার পুরনো রোগেই এবার সিঙ্গাপুরের কাছে হার বাংলাদেশের

সুযোগ তৈরি করেছে বাংলাদেশ, আক্রমণেও দেখিয়েছে স্পষ্ট আধিপত্য। বলের দখলও পুরোটা সময় ছিল নিজেদের কাছেই। কিন্তু শেষ পর্যন্ত গোলের দেখা মেলেনি। বাংলাদেশ ফুটবলের এই চিত্র নতুন কিছু নয়, আর সিঙ্গাপুরের বিপক্ষেও সেই পুরনো রোগেই কাবু হলো লাল-সবুজের দল। একের পর এক আক্রমণ সাজিয়েও প্রতিপক্ষের জালে বল জড়াতে ব্যর্থ হন হামজা চৌধুরীরা। উল্টো প্রথমার্ধে এক গোলে এগিয়ে যাওয়া সিঙ্গাপুর দ্বিতীয়ার্ধে রক্ষণ জমাট রেখে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে। মালয়েশিয়ার পর সিঙ্গাপুরের কাছেও ১-০ গোলে হেরে ফিফা আসিয়ান কাপ থেকে বিদায় নিশ্চিত হয়ে গেছে বাংলাদেশের। ফলে গ্রুপ পর্বে স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে বাকি থাকা শেষ ম্যাচটি এখন কেবলই আনুষ্ঠানিকতা। মালয়েশিয়ার কাছে ৩-০ গোলে হারের পর একাদশে চারটি পরিবর্তন আনেন কোচ টমাস ডুলি। সোহেল রানা, ফারহান আলী ওয়াহিদ, ফাহমিদুল ইসলাম ও শাকিল আহাদ তপুকে বাইরে রেখে সুযোগ দেওয়া হয় জামাল ভূঁইয়া, জিদান ইউসুফ, শুকি ইতোফুসা ও শেখ মোরসালিনকে। ৪-৪-২ ছকে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলার চেষ্টা করে বাংলাদেশ। বল দখলে রেখে গুছিয়ে আক্রমণে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল স্পষ্ট, কিন্তু প্রতিপক্ষের বক্সের কাছে পৌঁছালেই যেন হারিয়ে যাচ্ছিল সেই পরিকল্পনা। রাকিব হোসেন ও মোরসালিন কয়েকবার বল পেলেও সিঙ্গাপুরের গোলরক্ষককে সেভাবে পরীক্ষায় ফেলতে পারেননি তারা। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগে লক্ষ্যে কোনো শটই নিতে পারেনি বাংলাদেশ। অথচ সুযোগ পেলেই বিপদ তৈরি করেছে সিঙ্গাপুর। ১৭ মিনিটে আব্দুল্লাহ নূরের ক্রস থেকে ইলহান ফান্দির প্লেসিং শট এক হাতে ঠেকিয়ে দেন গোলরক্ষক মেহেদী হাসান শ্রাবণ। এর কিছুক্ষণ পর ৩২ মিনিটে ফ্রি কিক থেকে জ্যাকব উইলিয়ামের হেডও দুর্দান্তভাবে রুখে দেন তিনি, আর ফিরতি শট রুখে দেন তারিক কাজী। তবে ৩৫ মিনিটে আর রক্ষা হয়নি—ডান দিক থেকে নূর আব্দুল্লাহর ক্রসে ফাঁকায় থাকা হ্যারিস স্টুয়ার্ট জোরালো হেডে বল জালে জড়িয়ে সিঙ্গাপুরকে এগিয়ে দেন। এর দুই মিনিট পরই দ্বিতীয় গোলের সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছিল তাদের, তবে ইলহান ফান্দির শট ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। বিরতির পর অবশ্য ম্যাচের চিত্র কিছুটা বদলায়। আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে বাংলাদেশ। ৬১ মিনিটে জামাল ভূঁইয়ার টানা দুটি কর্নার থেকে সিঙ্গাপুরের বক্সে জটলা তৈরি হলেও শেষ মুহূর্তের স্পর্শটা দিতে পারেননি কেউই। ৬৪ মিনিটে সাদ উদ্দিনের ক্রসে শমিত সোমের হেড চলে যায় ক্রসবারের ওপর দিয়ে। এরপর ৭৯ মিনিটে ফাহমিদুলের ক্রস থেকে রাকিব হোসেনের হেড সিঙ্গাপুরের হ্যারিস স্টুয়ার্টের গায়ে লেগে বাইরে চলে যায়। এভাবে গোলের একেবারে কাছাকাছি গিয়েও শেষ পর্যন্ত সমতায় ফিরতে পারেনি বাংলাদেশ। ম্যাচ শেষে হতাশা লুকাননি কোচ টমাস ডুলি। তার ভাষায়, এই ম্যাচ প্রমাণ করেছে যে বাংলাদেশ ভালো খেলতে পারে এবং সিঙ্গাপুরকে হারানোর সামর্থ্যও তাদের রয়েছে। তবে দলের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো গোল করা—দলে এমন কোনো নিখুঁত স্ট্রাইকার নেই, যে বল জালে জড়ানোর কাজটা নিশ্চিতভাবে করতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬বিস্তারিত পড়ুন →
ওয়েম্বলিতে নাটকীয় জয়ে নেশন্স লিগ শুরু স্পেনের, ইংল্যান্ডকে হারাল ৩-২ গোলে

ওয়েম্বলিতে নাটকীয় জয়ে নেশন্স লিগ শুরু স্পেনের, ইংল্যান্ডকে হারাল ৩-২ গোলে

শুরুতে পিছিয়ে পড়েও দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে ইংল্যান্ডকে ৩-২ গোলে হারিয়েছে স্পেন। ওয়েম্বলিতে এই জয়ের মধ্য দিয়ে নেশন্স লিগের নতুন আসরে দুর্দান্ত সূচনা করল বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০২৪ সালের ইউরো ফাইনালের পর এই প্রথম আবারও ইংল্যান্ডকে হারানোর স্বাদ পেল স্পেন। ম্যাচের শুরুতেই ইংল্যান্ডের ভুলের সুযোগ নিয়ে এগিয়ে যায় স্পেন। দ্বিতীয় মিনিটে ইংল্যান্ডের ডিফেন্ডার মার্ক গেহির কাছ থেকে বল কেড়ে নিয়ে গোল করেন লামিনে ইয়ামাল। ওয়েম্বলিতে নিজের প্রথম ম্যাচেই এমন গোল করে দলকে এগিয়ে দেন এই স্প্যানিশ তরুণ তারকা। এরপর ম্যাচে ফেরার সুযোগ তৈরি করলেও তা কাজে লাগাতে পারেনি স্পেন। ১৮ ও ৩২ মিনিটে দুটি সহজ সুযোগ নষ্ট করেন ফারান তোরেস। প্রথম সুযোগে তার শট ঠেকিয়ে দেন ইংল্যান্ডের গোলরক্ষক জেমস ট্র্যাফোর্ড, আর দ্বিতীয় সুযোগে বল বাইরে মেরে দেন এই স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড। এরপর দ্রুতই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের দিকে নিয়ে নেয় ইংল্যান্ড। ৩৬ থেকে ৪০ মিনিটের মধ্যে মাত্র ৩ মিনিট ১২ সেকেন্ডের ব্যবধানে দুটি গোল করে বসে তারা। জুড বেলিংহামের পাস থেকে গোল করে ইংল্যান্ডকে সমতায় ফেরান অ্যান্থনি গর্ডন। এর চার মিনিট পর দলকে এগিয়ে দেন হ্যারি কেইন—নিকো ও’রাইলির চিপ থেকে পাওয়া বলে ডাইভিং হেড নেন তিনি, যা স্পেনের লেফটব্যাক মার্ক কুকুরেয়ার উরুতে লেগে জালে জড়ায়। শুরুতে এটিকে আত্মঘাতী গোল মনে হলেও পরে গোলটি কেইনের নামেই লেখা হয়। দ্বিতীয়ার্ধে ব্যবধান আরও বাড়ানোর সুযোগ পায় ইংল্যান্ড। ৫৪ মিনিটে স্পেন অধিনায়ক রদ্রির চ্যালেঞ্জে বক্সের মধ্যে জুড বেলিংহাম পড়ে গেলে ভিএআরের সহায়তায় পেনাল্টি পায় স্বাগতিকরা। তবে ৫৫ মিনিটে স্পটকিক থেকে গোল করতে ব্যর্থ হন কেইন, তার শট লেগে ফিরে আসে ক্রসবারে। পরবর্তীতে রিপ্লেতে দেখা যায়, শট নেওয়ার সময় কেইনের বাঁ পা কিছুটা পিছলে যাওয়ায় ভারসাম্য হারিয়েছিলেন তিনি। এই মিসের এক মিনিট পরই সমতায় ফেরে স্পেন। ইংল্যান্ডের লেফটব্যাক নিকো ও’রাইলির ভুল পাস থেকে আক্রমণ তৈরি করে গোল করেন বায়েনা, ফলে ২-২ সমতায় ফিরে আসে বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ম্যাচের ৭৪ মিনিটে ফের ইংল্যান্ডের জালে বল পাঠায় স্পেন। বায়েনার বাড়ানো বলে চিপ শটে গোলরক্ষক ট্র্যাফোর্ডকে পরাস্ত করেন বদলি হিসেবে মাঠে নামা মিকেল ওইয়ারসাবাল। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, দুই বছর আগে ইউরোর ফাইনালেও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জয়সূচক গোল করেছিলেন এই ফরোয়ার্ড, আর এবারও একই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে গোল করে স্পেনকে জয় এনে দেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ৩-২ গোলের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে স্পেন। বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর এটিই ছিল তাদের প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ, আর এই জয়ের ফলে স্পেনের টানা অপরাজিত থাকার রেকর্ডও বেড়ে দাঁড়াল ৩৯ ম্যাচে। অন্যদিকে সদ্য সমাপ্ত বিশ্বকাপে তৃতীয় হয়ে ফেরা ইংল্যান্ড নিজেদের মাঠে শুরুতে এগিয়ে গিয়েও শেষ পর্যন্ত জয় ধরে রাখতে পারেনি। গেহি ও ও’রাইলির দুটি ভুল এবং কেইনের পেনাল্টি মিস—এই তিনটি বিষয়ই ইংলিশদের হতাশার প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬বিস্তারিত পড়ুন →
আর্জেন্টিনার নতুন অধিনায়ক হচ্ছেন ক্রিস্টিয়ান রোমেরো

আর্জেন্টিনার নতুন অধিনায়ক হচ্ছেন ক্রিস্টিয়ান রোমেরো

লিওনেল মেসি আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে সরে দাঁড়ানোর পর আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের স্থায়ী অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ক্রিস্টিয়ান রোমেরো। বলিভিয়া, বুর্কিনা ফাসো ও বেনিনের বিপক্ষে আলবিসেলেস্তেদের আসন্ন প্রীতি ম্যাচগুলোকে সামনে রেখে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দলের প্রধান কোচ লিওনেল স্কালোনি। সংবাদ সম্মেলনে স্কালোনি জানান, মেসি ও নিকোলাস ওটামেন্দির পর রোমেরোই ছিলেন দলের তৃতীয় অধিনায়ক, তাই তাঁর হাতেই আর্মব্যান্ড তুলে দেওয়াটা স্বাভাবিক সিদ্ধান্ত। এই বিশ্বজয়ী কোচের ভাষায়, রোমেরো এখন থেকে দলের নতুন অধিনায়ক হবেন, যেহেতু মেসি ও ওটামেন্দির পর তিনি আগে থেকেই দলের তৃতীয় অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। তবে পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রয়োজনে এমিলিয়ানো মার্তিনেজ, রদ্রিগো দে পল ও লাউতারো মার্তিনেজও অধিনায়কের আর্মব্যান্ড পরতে পারেন বলে জানান তিনি। ২৮ বছর বয়সী টটেনহ্যাম হটস্পার ডিফেন্ডার রোমেরো এর আগেই তিনটি আন্তর্জাতিক ম্যাচে আর্জেন্টিনার অধিনায়কত্ব করার অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। ২০২৫ সালে চিলির বিপক্ষে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ১-০ গোলের জয়ের ম্যাচে প্রথমবারের মতো জাতীয় দলকে নেতৃত্ব দেন তিনি। এরপর ভেনেজুয়েলা ও মৌরিতানিয়ার বিপক্ষেও অধিনায়কের আর্মব্যান্ড তাঁরই হাতে ছিল। এদিকে বিশ্বফুটবলের মহাতারকা লিওনেল মেসি আগামী ৬ অক্টোবর বুয়েনস আইরেসের ঐতিহাসিক মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামে বেনিনের বিপক্ষে একটি প্রীতি ম্যাচে মাঠে নামবেন, যা হতে যাচ্ছে জাতীয় দলের জার্সিতে তাঁর ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ। মেসির এই আবেগঘন বিদায়ের পরই আনুষ্ঠানিকভাবে অধিনায়কের দায়িত্ব পূর্ণাঙ্গভাবে নিজের কাঁধে তুলে নেবেন রোমেরো।

২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬বিস্তারিত পড়ুন →
অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ১-১ সমতায় ড্র করল ব্রাজিল, শেষ মুহূর্তে সমতা ফেরালেন রায়ান

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ১-১ সমতায় ড্র করল ব্রাজিল, শেষ মুহূর্তে সমতা ফেরালেন রায়ান

অস্ট্রেলিয়া সফরের শুরুটা জয় দিয়ে করতে পারল না ব্রাজিল। শুক্রবার টাউনসভিলের নর্থ কুইন্সল্যান্ড স্টেডিয়ামে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করেছে সেলেসাওরা। ম্যাচের প্রথমার্ধে দুই দলই কয়েকটি ভালো সুযোগ তৈরি করেছিল। তবে ফিনিশিংয়ের অভাবে কোনো দলই গোলের দেখা পায়নি। গোলশূন্য সমতায় শেষ হয় প্রথম ৪৫ মিনিট। বিরতির পর ম্যাচে গতি বাড়ে। দ্বিতীয়ার্ধে অস্ট্রেলিয়াকে এগিয়ে দেন তরুণ ফরোয়ার্ড নেস্টরি ইরানকুন্দা। দুর্দান্ত এক ফ্রি-কিকে ব্রাজিলের জালে বল পাঠান তিনি। গোলের পর স্বাগতিকদের আত্মবিশ্বাসও বেড়ে যায়। একের পর এক আক্রমণে ব্রাজিলের রক্ষণকে চাপে রাখে তারা। তবে পিছিয়ে পড়ার পরও ম্যাচে ফেরার চেষ্টা চালিয়ে যায় ব্রাজিল। বল দখলে এগিয়ে থাকার পাশাপাশি আক্রমণেও বেশ কয়েকবার সুযোগ তৈরি করে তারা। কিন্তু গোলের মুখে সাফল্য আসছিল না। শেষ পর্যন্ত যোগ করা সময়ে সমতায় ফেরে ব্রাজিল। ৯৫ মিনিটে বদলি হিসেবে মাঠে নামা ফরোয়ার্ড রায়ান হেডে গোল করে দলকে ম্যাচে ফেরান। তাঁর গোলেই ১-১ সমতায় শেষ হয় ম্যাচ। বিশ্বকাপের পর নতুন চক্রে প্রবেশ করেছে দুই দলই। সেই প্রস্তুতির অংশ হিসেবেই আয়োজিত হয়েছে এই প্রীতি সিরিজ। ম্যাচের আগে ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি জানিয়েছিলেন, নতুন প্রজন্মের খেলোয়াড়দের পরখ করাই এই সফরের অন্যতম লক্ষ্য। আগামী বিশ্বকাপ ও কোপা আমেরিকার প্রস্তুতিও এর সঙ্গে জড়িত। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ব্রাজিলের একাদশেও ছিল বেশ কিছু পরিবর্তন। গোলরক্ষক হুগো সৌজার সামনে রক্ষণে ছিলেন মাতেউজিনিও, মার্কিনিয়োস, ভিতর রেইস ও দগলাস সান্তোস। মাঝমাঠে খেলেছেন দানিলো, ব্রুনো গিমারায়েস, এস্তেভাও ও রাফিনিয়া। আক্রমণভাগে ছিলেন এন্দ্রিক ও ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। অস্ট্রেলিয়া ৩-৪-৩ ফরমেশনে মাঠে নামে। গোলপোস্টে ছিলেন প্যাট্রিক বিচ। রক্ষণে সিরাকাটি, সাউটার ও হ্যারিংটন। মাঝমাঠে ইতালিয়ানো, আরভিন, ওকো-এংস্টলার ও বেহিচ। আক্রমণে ছিলেন মেটকাফ, ইরানকুন্দা ও ইয়েঙ্গি। বিশ্বকাপেও দুই দলের পথচলা ছিল ভিন্ন। ব্রাজিল গ্রুপ পর্বে দুই জয় ও এক হার নিয়ে শেষ ষোলোতে উঠেছিল। তবে নরওয়ের কাছে ২-১ গোলে হেরে বিদায় নিতে হয় তাদের। অস্ট্রেলিয়াও গ্রুপ পর্ব পেরিয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্রের কাছে হার ও প্যারাগুয়ের সঙ্গে ড্রয়ের পর নকআউট পর্বে উঠলেও সেখানে আর বেশি দূর যেতে পারেনি তারা। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ড্র দিয়ে সফর শুরু করা ব্রাজিল এবার সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে নামবে ২৯ সেপ্টেম্বর। একই ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে ম্যাচটি। এরপর ৩ অক্টোবর ভারতের বিপক্ষেও একটি প্রীতি ম্যাচ খেলার কথা রয়েছে ব্রাজিলের।

২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬বিস্তারিত পড়ুন →
আসিয়ান কাপে আজ মালয়েশিয়ার মুখোমুখি বাংলাদেশ, লক্ষ্য পয়েন্ট অর্জন

আসিয়ান কাপে আজ মালয়েশিয়ার মুখোমুখি বাংলাদেশ, লক্ষ্য পয়েন্ট অর্জন

ফিফা আসিয়ান কাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে আজ মাঠে নামছে বাংলাদেশ ফুটবল দল, প্রতিপক্ষ মালয়েশিয়া। শুক্রবার বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টায় ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তার বুং কার্নো স্টেডিয়ামে শুরু হবে ম্যাচটি। পরিসংখ্যান ও ফিফা র‍্যাংকিংয়ে স্পষ্টভাবেই এগিয়ে মালয়েশিয়া। বিশ্ব র‍্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ১৮১তম হলেও মালয়েশিয়া রয়েছে ১৩৬ নম্বরে। দুই দলের এখন পর্যন্ত ১০ বারের মোকাবিলায় বাংলাদেশের জয় মাত্র একটি, মালয়েশিয়া জিতেছে সাতবার, বাকি দুটি ম্যাচ শেষ হয়েছে ড্রয়ে। সর্বশেষ সাক্ষাতে ২০২২ সালে এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে কুয়ালালামপুরে ৪-১ গোলে হেরেছিল বাংলাদেশ। তবে চার বছর পর নতুন এক মঞ্চে নতুন প্রত্যাশা নিয়েই মাঠে নামছে টমাস ডুলির দল। অতীতের পরিসংখ্যান পেছনে ফেলে মালয়েশিয়াকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেওয়াই এখন লক্ষ্য বাংলাদেশ শিবিরের। দলের গঠনেও এসেছে পরিবর্তন—হামজা চৌধুরী ও সমিত শোমের মতো প্রবাসী ফুটবলারদের অন্তর্ভুক্তিতে বেড়েছে প্রতিদ্বন্দ্বিতার সক্ষমতা, যার প্রতিফলন দেখা গেছে সাম্প্রতিক কয়েকটি ম্যাচে। গত জুনে সান মারিনোকে তাদের মাঠেই হারানোর পাশাপাশি এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে ঘরের মাঠে ভারতকে হারানোর অভিজ্ঞতাও আছে জামাল ভূঁইয়াদের। হংকং ও সিঙ্গাপুরের বিপক্ষেও শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে গেছে দলটি। দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া অবশ্য প্রতিপক্ষের শক্তি নিয়ে যথেষ্ট সচেতন। ম্যাচটিকে কঠিন উল্লেখ করলেও পয়েন্ট পাওয়ার আশা ছাড়ছেন না তিনি। সংবাদ সম্মেলনে জামাল বলেন, দলটি এটিকে কঠিন ম্যাচ মনে করলেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পয়েন্ট আদায়ের চেষ্টা করবে, আর পুরো টুর্নামেন্টে অন্তত এক-দুটি জয় পেলেই সফরটাকে সফল বলা যাবে। কোচ টমাস ডুলিও বাস্তবতা মাথায় রেখেই মাঠে নামতে চান, তবে বড় দলের বিপক্ষে চমক দেখানোর আশাও ছাড়ছেন না। তার মতে, র‍্যাংকিংয়ে এগিয়ে থাকা মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ড্র কিংবা জয়—দুটিই হবে বড় অর্জন। আসন্ন সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের আগে প্রস্তুতির অংশ হিসেবেও এই টুর্নামেন্টকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন তিনি, যেহেতু ভারত সরে যাওয়ায় আসিয়ান কাপে আমন্ত্রণ পায় বাংলাদেশ। ডুলির ভাষ্যে, এখান থেকে শেখা ভুলগুলোই ভবিষ্যতে সাফের মতো টুর্নামেন্টে কাজে লাগানো যাবে। তবে টুর্নামেন্টটি নিছক প্রস্তুতির মঞ্চ নয়—শিরোপা ও প্রাইজমানির মতো পুরস্কারও এতে জড়িত। ডুলি স্পষ্ট করেই বলেছেন, র‍্যাংকিংয়ে পিছিয়ে থাকা বাংলাদেশই এখানে আন্ডারডগ। ১৪টি দল নিয়ে চার গ্রুপে বিভক্ত এই আসরে বাংলাদেশ রয়েছে ডিভিশন-ওয়ানের ‘এ’ গ্রুপে, যেখানে মালয়েশিয়ার পাশাপাশি আছে সিঙ্গাপুর ও স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়া। আজকের ম্যাচের পর ২৮ সেপ্টেম্বর সিঙ্গাপুর এবং ১ অক্টোবর গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে ইন্দোনেশিয়ার মুখোমুখি হবে ডুলির দল। এই তিন ম্যাচের পারফরম্যান্সই সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের আগে দলের প্রকৃত অবস্থান বুঝতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬বিস্তারিত পড়ুন →
বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় চালু হলো সুপার গলফ

বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় চালু হলো সুপার গলফ

জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে বসুন্ধরা সুপার গলফ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এর উদ্বোধন করেন সানভীর বসুন্ধরা গ্রুপ (এসবিজি)-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এমিল আহমেদ সোবহান। অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী বক্তব্য দেন তানভীর বসুন্ধরা গ্রুপ (টিবিজি)-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আহমেদ ইব্রাহিম সোবহান। উদ্বোধনী আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান এবং এসবিজির চেয়ারম্যান সাফিয়াত সোবহান সানভীর। এ ছাড়া বসুন্ধরা গ্রুপ ও এর বিভিন্ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। বসুন্ধরা সুপার গলফের হেড অব অপারেশনস রেজাউর রহমান খান জানান, প্রচলিত গলফ কোর্সে শট নেওয়ার পর অনেক সময় বল খুঁজে বের করতে হয় মাঠের বিভিন্ন প্রান্ত, ঝোপঝাড় কিংবা ঘাসের মধ্যে। তবে বসুন্ধরা সুপার গলফে এই প্রচলিত অভিজ্ঞতার পরিবর্তে ব্যবহার করা হয়েছে আধুনিক স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি। এখানে শট নেওয়ার পর বল মাঠের নিচে থাকা স্বয়ংক্রিয় নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সরাসরি নির্দিষ্ট সংগ্রহস্থলে চলে যায়। এরপর অটোমেটিক মেশিনে বল পরিষ্কার করা হয়। পরে পাইপলাইনের মাধ্যমে সেটি আবার খেলোয়াড়ের বে-এর টি-পয়েন্টে পৌঁছে যায়। ফলে পরবর্তী শট নেওয়ার জন্য খেলোয়াড়কে বল খুঁজতে বা কুড়াতে হয় না। পুরো প্রক্রিয়াটিই পরিচালিত হয় হাই-টেক অটোমেশন ব্যবস্থায়। বসুন্ধরা সুপার গলফের মূল দর্শন ‘মোর দ্যান গলফ’ (More Than Golf)। অর্থাৎ শুধু গলফ খেলার জায়গা হিসেবে নয়, পরিবার, বন্ধু ও ব্যবসায়িক সহকর্মীদের নিয়ে সময় কাটানো, আড্ডা ও বিনোদনের সমন্বিত কেন্দ্র হিসেবেও এটি তৈরি করা হয়েছে। বসুন্ধরা সুপার গলফে রয়েছে মোট ৬৮টি ডিলাক্স বে। প্রথম ও দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত প্রতিটি বে-তে একসঙ্গে সর্বোচ্চ ছয়জন খেলতে পারবেন। খেলোয়াড়দের সেবা দেওয়ার জন্য রয়েছে নিজস্ব ‘বে হোস্ট’ ও ‘বে রানার’, যারা শটের পাশাপাশি খাবার পরিবেশনেও সহযোগিতা করবেন। সকাল ৬টা থেকে রাত ২টা পর্যন্ত তিনটি ক্যাটাগরিতে—অফ-পিক লো, অফ-পিক মিড এবং পিক—ঘণ্টাভিত্তিক খেলার সুযোগ থাকছে। তৃতীয় তলায় রয়েছে ১৭টি ভিআইপি সুইট। প্রতিটি সুইটে সর্বোচ্চ ১৬ জন সময় কাটাতে পারবেন। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ব্যক্তিগত কক্ষের পাশাপাশি এখানে রয়েছে প্রেজেন্টেশন ও মিটিংয়ের ব্যবস্থা, সাওয়ার রুম এবং প্রিমিয়াম ফুড সার্ভিস। ফলে করপোরেট মিটিং, ব্যবসায়িক আয়োজন ও প্রিমিয়াম গেট-টুগেদারের জন্য এসব সুইট ব্যবহার করা যাবে। বসুন্ধরা সুপার গলফে গলফারদের জন্য রাখা হয়েছে স্মার্ট অ্যাপ ও ড্রাইভিং রেঞ্জের সুবিধা। অ্যাপের মাধ্যমে খেলোয়াড়রা নিজেদের শটের ডিজিটাল ট্র্যাকিং করতে পারবেন। পাশাপাশি সেরা শট রেকর্ড করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করার সুযোগও থাকছে। এ ছাড়া চারটি অত্যাধুনিক ইনডোর সিমুলেটরের মাধ্যমে বিশ্বের ২০৭টি বিখ্যাত গলফ কোর্সে খেলার অভিজ্ঞতা নেওয়া যাবে। এর মধ্যে স্কটল্যান্ডের ঐতিহ্যবাহী ‘সেন্ট অ্যান্ড্রুস’ কোর্সও রয়েছে। সিমুলেটরে বিভিন্ন ধরনের উঁচু-নিচু ভূপ্রকৃতি এবং পাটিং অনুশীলনের সুবিধাও রাখা হয়েছে। নতুন খেলোয়াড়দের জন্য রয়েছে আলাদা প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা। কোচের অধীনে গলফ শেখার জন্য নির্ধারিত সিমুলেটরের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ নেওয়া যাবে। গলফের সঙ্গে আড্ডা, খাবার ও বিনোদনের সুযোগও রাখা হয়েছে এই কমপ্লেক্সে। ইউরোপের ঐতিহ্যবাহী ১৮ হোল গলফ খেলার পর খেলোয়াড়দের আড্ডার সংস্কৃতিকে সামনে রেখে তৈরি করা হয়েছে ‘নাইনটিনথ হোল’ (19th Hole) রেস্টুরেন্ট। আন্তর্জাতিক খাবারের স্বাদ নিতে রয়েছে ক্যাফে অ্যামাজন, টেরা চায়না এবং আরবান ক্রেভ। টেরা চায়নায় চাইনিজ ও জাপানিজ থিমের খাবারের ব্যবস্থা থাকছে। এ ছাড়া গলফের বাইরে বিনোদনের জন্য রয়েছে তিনটি বিলিয়ার্ড বোর্ডসহ বিলিয়ার্ড রুম। জরুরি বা ছোট পরিসরের বৈঠকের জন্য রয়েছে পাঁচটি মিটিং রুম, যেখানে দুই থেকে ১০ জন পর্যন্ত বসতে পারবেন। সামাজিক অনুষ্ঠান ও মেহেদি সন্ধ্যার মতো আয়োজনের জন্য রয়েছে বড় পরিসরের ব্যানকুইট হল। পরিবার নিয়ে সময় কাটানোর বিষয়টিকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বসুন্ধরা সুপার গলফে। শিশুদের জন্য তৈরি করা হয়েছে কিডস ক্লাব। পাবলিক প্লেসে শিশুদের দেখভাল নিয়ে অভিভাবকদের দুশ্চিন্তা কমানোর পাশাপাশি মোবাইল ও গেমের স্ক্রিন থেকে শিশুদের দূরে রেখে সামাজিক পরিবেশে সময় কাটানোর সুযোগ তৈরি করাই এই ক্লাবের অন্যতম উদ্দেশ্য। এখানে শিশুদের সামাজিক মেলামেশা, জন্মদিন উদযাপনসহ বিভিন্ন আনন্দঘন আয়োজন করা যাবে। পাশাপাশি জরুরি স্বাস্থ্যসেবার জন্য পুরো কমপ্লেক্সে রয়েছে একটি সুসজ্জিত মেডিকেল রুম। নিয়মিত গলফারদের জন্য বসুন্ধরা সুপার গলফে রয়েছে প্লাটিনাম ও প্লাটিনাম প্লাস মেম্বারশিপ। প্লাটিনাম সদস্যপদের বার্ষিক ফি ২ লাখ টাকা এবং প্লাটিনাম প্লাসের ফি ৫ লাখ টাকা। মেম্বারশিপের আওতায় আনলিমিটেড প্লে, খাবার ও বিভিন্ন ইভেন্টে বিশেষ ছাড়সহ নানা সুবিধা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। পাশাপাশি করপোরেট ও ফ্যামিলি প্যাকেজও রাখা হয়েছে। বসুন্ধরা সুপার গলফের হেড অব অপারেশনস রেজাউর রহমান খান এবং বে অপারেশনস ম্যানেজার অরূপ ফেভিয়ান গমেজ বলেন, প্রযুক্তি, খেলাধুলা ও আভিজাত্যের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা এই কেন্দ্র ভবিষ্যতে সামাজিক যোগাযোগ ও ব্যবসায়িক নেটওয়ার্কিংয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান হিসেবে বিকশিত হতে পারে।

২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬বিস্তারিত পড়ুন →
মেসির বিদায়ী ম্যাচের জন্য স্কালোনির ঘোষিত আর্জেন্টিনা স্কোয়াডে যারা আছেন

মেসির বিদায়ী ম্যাচের জন্য স্কালোনির ঘোষিত আর্জেন্টিনা স্কোয়াডে যারা আছেন

লিওনেল মেসির বিদায়ী ম্যাচ সামনে রেখে আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দল ঘোষণা করেছেন কোচ লিওনেল স্কালোনি। ঘোষিত এই দলে জায়গা পেয়েছেন মেসিসহ পরিচিত ও অভিজ্ঞ একাধিক ফুটবলার, পাশাপাশি রাখা হয়েছে বেশ কয়েকজন তরুণ খেলোয়াড়কেও। গোলরক্ষক হিসেবে দলে ডাক পেয়েছেন এমিলিয়ানো মার্তিনেজ, হুয়ান মুসো ও হেরোনিমো রুলি। রক্ষণভাগে রয়েছেন আগুস্তিন জিয়াই, লিওনার্দো বালের্দি, ক্রিস্তিয়ান রোমেরো, লিসান্দ্রো মার্তিনেজ, হুয়ান ফয়থ, ফাকুন্দো মেদিনা, নিকোলাস তাগলিয়াফিকো ও রোমান ভেগা। মাঝমাঠের দায়িত্বে থাকছেন এনজো ফার্নান্দেজ, অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার, ভ্যালেন্তিন বারকো, জিওভানি লো সেলসো, এজেকিয়েল পালাসিওস, রদ্রিগো দে পল, নিকোলাস পাজ ও ফ্রাঙ্কো মাস্তানতুওনো। আক্রমণভাগে জায়গা পেয়েছেন মাতিয়াস সুলে, জুলিয়ানো সিমেওনে, নিকোলাস গঞ্জালেস, জিয়ানলুকা প্রিস্তিয়ানি, হোসে ম্যানুয়েল লোপেজ, সান্তিয়াগো কাস্ত্রো, হুলিয়ান আলভারেজ, লাওতারো মার্তিনেজ এবং লিওনেল মেসি। দলের তালিকায় সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছে মেসির নাম। বিশ্বকাপসহ আর্জেন্টিনাকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ শিরোপা এনে দেওয়া এই তারকার সম্ভাব্য শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ ঘিরে সমর্থকদের মধ্যে দেখা যাচ্ছে বাড়তি উত্তেজনা ও আবেগ। কোচ স্কালোনির অধীনে গড়া এই স্কোয়াডে অভিজ্ঞতা ও তারুণ্যের মিশ্রণ রাখা হয়েছে, যেখানে মেসির পাশাপাশি জাতীয় দলের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬বিস্তারিত পড়ুন →
স্কালোনির সাথে ২০৩০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত থাকছে আর্জেন্টিনা, চুক্তি নবায়নে সবুজ সংকেত

স্কালোনির সাথে ২০৩০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত থাকছে আর্জেন্টিনা, চুক্তি নবায়নে সবুজ সংকেত

গুঞ্জন সত্যি হতে চলেছে—আর্জেন্টিনার দায়িত্বে আরও কয়েক বছর থাকছেন কোচ লিওনেল স্কালোনি। বিশ্বকাপজয়ী এই কোচকে ২০২৮ সালের কোপা আমেরিকা পর্যন্ত রাখতে চায় আর্জেন্টাইন ফুটবল ফেডারেশন (এএফএ), সুযোগ থাকছে সেটি আরও দুই বছর বাড়িয়ে ২০৩০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ারও। লাতিন আমেরিকার একাধিক সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, দুই পক্ষের একান্ত বৈঠকে বিষয়টি এখন প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে। কয়েক মাস আগের ছবিটা ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের কাছে হেরে যাওয়ার পর আর্জেন্টিনার সঙ্গে নিজের যাত্রা শেষ করার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন স্কালোনি নিজেই। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি, কান্নাজড়িত কণ্ঠে শুধু বলেছিলেন—দুঃখিত। এএফএ'র সঙ্গে তার চুক্তির মেয়াদ ফুরানোর কথা ছিল এই ডিসেম্বরেই, আর সেটি আদৌ নবায়ন হবে কিনা তা নিয়ে তৈরি হয়েছিল অনিশ্চয়তা। তবে পরিস্থিতি ঘুরে গেছে। গত সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাতে ফেডারেশন ও স্কালোনির মধ্যে অনুষ্ঠিত হওয়া রুদ্ধদ্বার বৈঠকের পর আর্জেন্টিনার জনপ্রিয় ক্রীড়া সংবাদমাধ্যম টিওয়াইসি স্পোর্টস জানিয়েছে, চুক্তি নবায়নে নীতিগতভাবে রাজি হয়েছেন কোচ। এখন শুধু আর্থিক শর্তাদি চূড়ান্ত করার বাকি। লাতিন আমেরিকার আরেক সংবাদমাধ্যম ডি স্পোর্টসের তথ্য অনুযায়ী, চুক্তিটি হতে পারে "২ প্লাস ২" মডেলে—অর্থাৎ প্রাথমিকভাবে ২০২৮ কোপা আমেরিকা পর্যন্ত চুক্তি হবে, সঙ্গে থাকবে ২০৩০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত মেয়াদ বাড়ানোর সুযোগ। ফেডারেশনের পরিকল্পনা স্পষ্ট—আগামী বিশ্বকাপ পর্যন্ত স্কালোনিকে সামনে রেখেই দল গোছাতে চায় তারা। সাম্প্রতিক সময়ে আর্জেন্টিনা ফুটবলে কম ঝামেলা যায়নি। ফাইনালের পর মারামারির ঘটনায় কয়েকজন খেলোয়াড়কে শাস্তির মুখে পড়তে হয়েছে, তার ওপর যোগ হয়েছে লিওনেল মেসির অবসর। এই অস্থির সময়ে স্কালোনির থেকে যাওয়ার খবরটা দলের জন্য বড় স্বস্তির কারণ হতে পারে। শোনা যাচ্ছে, খেলোয়াড়দের মতামতও নেওয়া হয়েছিল এই সিদ্ধান্তে যাওয়ার আগে, আর প্রায় সবাই কোচের সঙ্গে থাকার পক্ষেই মত দিয়েছেন। সবকিছু পরিকল্পনামাফিক এগোলে খুব শিগগিরই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে—আর্জেন্টিনার ডাগআউটে শুরু হতে যাচ্ছে স্কালোনির নতুন একটি অধ্যায়।

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬বিস্তারিত পড়ুন →
বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটিতে বেয়ার-নাকল বক্সিংয়ের ঐতিহাসিক অভিষেক

বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটিতে বেয়ার-নাকল বক্সিংয়ের ঐতিহাসিক অভিষেক

রাজধানীর বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির জুলকান ইনডোর এরিনায় অনুষ্ঠিত হলো আন্তর্জাতিক কমব্যাট স্পোর্টস প্রতিযোগিতা ‘জুলকান ফাইটিং চ্যাম্পিয়নশিপ’ (জেডএফসি)-এর দ্বিতীয় আসর—‘জেডএফসি ২: প্রাইড অব বাংলাদেশ’। তানভীর বসুন্ধরা গ্রুপের (টিবিজি) আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ প্রতিযোগিতায় মুয়ে থাই, বক্সিং, মিক্সড মার্শাল আর্টস (এমএমএ) এবং বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো বেয়ার-নাকল বক্সিংয়ের একাধিক বাউট অনুষ্ঠিত হয়। আন্তর্জাতিক অঙ্গনের অভিজ্ঞ ফাইটারদের পাশাপাশি বাংলাদেশের তরুণ ও উদীয়মান অ্যাথলেটরা বিভিন্ন বাউটে অংশ নেন। প্রতিযোগিতায় ছিল পাঁচটি মূল শিরোপা ছাড়াও বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক লড়াই। আয়োজনের অন্যতম আকর্ষণ ছিল গ্লাভস ছাড়া বক্সিং—বেয়ার-নাকল বক্সিং। বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত এই বিশেষ বাউটে মুখোমুখি হন যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বখ্যাত ফাইটার উইল চপ ও ইরানের মোস্তফা আশৌরি। তিন রাউন্ডের তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লড়াই শেষে জয় পান যুক্তরাষ্ট্রের উইল চপ। আয়োজকদের মতে, বেয়ার-নাকল বক্সিংয়ের এই আয়োজন বাংলাদেশের কমব্যাট স্পোর্টসে নতুন একটি অধ্যায়ের সূচনা করেছে। জেডএফসি মুয়ে থাই চ্যাম্পিয়নশিপে মালয়েশিয়ার এরওয়ান্ডি কালাইকে পরাজিত করে শিরোপা জয় করেন বাংলাদেশের মুহাম্মদ রাশেদ। আরেক আন্তর্জাতিক বাউটে ফিলিপাইনের ফিলিপাস রাঙ্গাকে হারিয়ে জয় তুলে নেন বাংলাদেশের মনজুর আলম। ডব্লিউএমও এশিয়া মুয়ে থাই চ্যাম্পিয়নশিপের বাউটে বাংলাদেশের মসজিদুল রেজা ওমিও থাইল্যান্ডের থানাপাত তিথামের বিপক্ষে লড়াই করে বিজয়ী হন। জেডএফসি বক্সিং চ্যাম্পিয়নশিপে ইন্দোনেশিয়ার কুন্দিমাংকে হারিয়ে জয় পান বাংলাদেশের সুরা কৃষ্ণ চাকমা। অন্যদিকে বাংলাদেশের সিরাজুল রাব্বিকে পরাজিত করেন সিঙ্গাপুরের শন রাফায়েল সানি। প্রতিযোগিতা দেখতে গ্যালারিতে উপস্থিত ছিলেন তানভীর বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আহমেদ ইব্রাহিম সোবহান এবং সানভীর বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এমিল আহমেদ সোবহান। তাঁরা দর্শকদের সঙ্গে বসে বিভিন্ন বাউট উপভোগ করেন। কমব্যাট স্পোর্টসের এই আয়োজন ঘিরে তারকাদের উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো। দর্শকদের উৎসাহ দিতে গ্যালারিতে হাজির হন জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’-এর অভিনয়শিল্পী জিয়াউল হক পলাশ, মারজুক রাসেল, চাষি আলম ও মুসাফির সাঈদ বাচ্চু। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’-এর পরিচালক কাজল আরেফিন অমি। এ ছাড়া অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ, সংগীতশিল্পী জেফার রহমান, উপস্থাপক রাফসান শাবাবসহ দেশের শীর্ষস্থানীয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনফ্লুয়েন্সাররাও গ্যালারিতে উপস্থিত থেকে প্রতিযোগিতার বিভিন্ন লড়াই উপভোগ করেন। এর আগে চলতি বছরের এপ্রিলে ‘জেডএফসি ১: দ্য টেকওভার’ আয়োজনের মধ্য দিয়ে যাত্রা শুরু করে জুলকান ফাইটিং চ্যাম্পিয়নশিপের আন্তর্জাতিক পর্ব। দ্বিতীয় আসরের মাধ্যমে বাংলাদেশের কমব্যাট স্পোর্টসের পরিসর আরও বিস্তৃত হলো। আয়োজকদের প্রত্যাশা, বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটিকে ঘিরে এ ধরনের আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা দেশের ফাইটারদের পেশাদার পর্যায়ে নিজেদের তুলে ধরার সুযোগ বাড়াবে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের কমব্যাট স্পোর্টস অ্যাথলেটদের অংশগ্রহণের ক্ষেত্রও আরও শক্তিশালী হবে।

১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬বিস্তারিত পড়ুন →
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দিলেন ফাইটাররা, প্রেস ব্রিফিংয়ে জমল ZFC 2-এর উত্তাপ

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দিলেন ফাইটাররা, প্রেস ব্রিফিংয়ে জমল ZFC 2-এর উত্তাপ

বাংলাদেশের কমব্যাট স্পোর্টস অঙ্গনে নতুন এক অভিজ্ঞতার সাক্ষী হলো রাজধানী। সাধারণ প্রেস ব্রিফিংয়ের চেনা আয়োজনের বাইরে গিয়ে এবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হলেন আন্তর্জাতিক ফাইটাররা। প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার পাশাপাশি জোড়ায় জোড়ায় বক্সিং ভঙ্গিতে নিজেদের পরিচয়ও তুলে ধরলেন তাঁরা। ফলে প্রেস ব্রিফিংয়ের মঞ্চটিই যেন কিছুক্ষণের জন্য পরিণত হলো ছোট্ট এক ফাইটিং অ্যারেনায়। আগামীকাল শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির জুলকান ইনডোর এরিনায় অনুষ্ঠিত হবে Zulcan Fighting Championship (ZFC)-এর দ্বিতীয় আসর—‘ZFC 2: Pride of Bangladesh’। এই আয়োজনকে সামনে রেখে বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরার (আইসিসিবি) ৩ নম্বর হল ‘রাজদর্শন’-এ অনুষ্ঠিত হয় ব্যতিক্রমী প্রেস ব্রিফিং ও অফিসিয়াল ওয়েই-ইন। প্রেস ব্রিফিংয়ে ZFC কর্মকর্তাদের পাশাপাশি অংশ নেন বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের আন্তর্জাতিক ফাইটাররা। সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের সরাসরি উত্তর দেন তাঁরা। বিশেষ করে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো হতে যাওয়া Bare-Knuckle Boxing নিয়ে ছিল সাংবাদিকদের ব্যাপক আগ্রহ। প্রেস ব্রিফিংয়ের একপর্যায়ে ফাইটারদের জোড়ায় জোড়ায় দাঁড় করিয়ে তাঁদের পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। নিজেদের প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হয়ে বক্সিংয়ের প্রস্তুতিমূলক ভঙ্গি প্রদর্শন করেন তাঁরা। মুহূর্তেই বদলে যায় পরিবেশ—প্রেস ব্রিফিংয়ের আনুষ্ঠানিকতা ছাপিয়ে ফুটে ওঠে রিংয়ের প্রতিযোগিতামূলক আবহ। উপস্থিত সাংবাদিক ও অতিথিদের মধ্যেও তৈরি হয় বাড়তি আগ্রহ। এবারের ZFC আসরের অন্যতম আলোচিত আকর্ষণ বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো আয়োজন হতে যাওয়া Bare-Knuckle Boxing বাউট। তিন রাউন্ডের এই লড়াইয়ে মুখোমুখি হবেন যুক্তরাষ্ট্রের অভিজ্ঞ ফাইটার Will Chope এবং ইরানের Mostafa Ashouri। প্রেস ব্রিফিংয়ে এই লড়াই নিয়ে তাঁদের কাছে জানতে চান সাংবাদিকরা। Bare-Knuckle Boxing বলতে কী বোঝায়, এই ফরম্যাটের বিশেষত্ব কী এবং বাংলাদেশে প্রথমবার এমন লড়াই আয়োজনের গুরুত্ব কতটা—এসব প্রশ্নের উত্তর দেন সংশ্লিষ্টরা। Will Chope-কে প্রশ্ন করা হয়, তাঁকে বাংলাদেশে এই লড়াইয়ে অংশ নিতে কী অনুপ্রাণিত করেছে। অন্যদিকে Mostafa Ashouri-র কাছে জানতে চাওয়া হয়, প্রতিপক্ষকে নিয়ে তাঁর প্রস্তুতি ও প্রত্যাশার কথা। ZFC 2-এর মেইন ইভেন্টে WMO Asia Muay Thai Title-এর জন্য পাঁচ রাউন্ডের লড়াইয়ে বাংলাদেশের Masjedul Reza Omeo মুখোমুখি হবেন থাইল্যান্ডের Thanapat Titham-এর। প্রেস ব্রিফিংয়ে ওমিওর কাছে জানতে চাওয়া হয়, শক্তিশালী থাই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে এশিয়ান শিরোপা জয়ের ব্যাপারে তিনি কতটা আত্মবিশ্বাসী। ঘরের মাটিতে আন্তর্জাতিক শিরোপার লড়াইয়ে নামার আগে তাঁর প্রস্তুতি নিয়েও প্রশ্ন করেন সাংবাদিকরা। অন্যদিকে কো-মেইন ইভেন্টে ZFC Boxing Title-এর জন্য ছয় রাউন্ডে লড়বেন বাংলাদেশের Sura Krishna Chakma ও ইন্দোনেশিয়ার Kundimang। দীর্ঘ বিরতির পর রিংয়ে ফেরা সুরার প্রস্তুতি, শারীরিক অবস্থা ও লড়াই নিয়ে প্রত্যাশা নিয়েও প্রশ্ন করা হয়। প্রো এমএমএতে বাংলাদেশের Manjoor Alam লড়বেন ইন্দোনেশিয়ার Filipus Rangga-র বিপক্ষে। প্রেস ব্রিফিংয়ে মঞ্জুরের কাছে তাঁর দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার আকাঙ্ক্ষার কথা তুলে ধরেন। ভবিষ্যতে আরও উচ্চমানের আন্তর্জাতিক প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হওয়ার বিষয়েও তাঁকে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকরা। এ ছাড়া প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ফাইটারদের প্রস্তুতি, আন্তর্জাতিক প্রতিপক্ষের সঙ্গে লড়াইয়ের অভিজ্ঞতা এবং ZFC-এর মাধ্যমে বাংলাদেশের কমব্যাট স্পোর্টসের ভবিষ্যৎ নিয়েও বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর নেওয়া হয়। ZFC 2-এ বাংলাদেশ, থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া, সিঙ্গাপুর, যুক্তরাষ্ট্র, ইরান ও মালয়েশিয়ার ফাইটাররা মোট ১১টি বাউটে অংশ নেবেন। এর মধ্যে রয়েছে পাঁচটি শিরোপার লড়াই। ZFC Muay Thai Title-এর জন্য লড়বেন বাংলাদেশের Muhammed Rashed ও ইন্দোনেশিয়ার Harry Hutagalong। আরেকটি ZFC Boxing Title বাউটে সিঙ্গাপুরের Sean Rafael Sanny মুখোমুখি হবেন বাংলাদেশের Sirajul Rabbi-র। এ ছাড়া মুয়াই থাইয়ে দেশীয় লড়াইয়ে মুখোমুখি হবেন Shadman Sakif ও Mahedi Hassan। প্রো এমএমএতে থাকছে Manjoor Alam বনাম Filipus Rangga। নারী পেশাদার বক্সিংয়ে ছয় রাউন্ডের লড়াইয়ে বাংলাদেশের Sanjida Jannat-এর প্রতিপক্ষ মালয়েশিয়ার Meredy Michael। পেশাদার বক্সিংয়ে Rakib Hossain লড়বেন ইন্দোনেশিয়ার Dedy Imprax-এর বিপক্ষে। একই বিভাগে সিঙ্গাপুরের Donovan McIntyre মুখোমুখি হবেন বাংলাদেশের Ganadan Chakma-র। কার্ডের শুরু হবে নারী সেমি-প্রো মুয়াই থাইয়ের লড়াই দিয়ে। সেখানে মুখোমুখি হবেন Gazi Arnaz ও Shampa Islam। ZFC-এর আয়োজকদের মতে, এই চ্যাম্পিয়নশিপের লক্ষ্য শুধু ফাইট আয়োজন করা নয়। আন্তর্জাতিক প্রতিপক্ষের সঙ্গে বাংলাদেশের ফাইটারদের ঘরের মাটিতে প্রতিযোগিতার সুযোগ তৈরি করা, পেশাদার কমব্যাট স্পোর্টসের বিকাশ ঘটানো এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার মতো ফাইটার তৈরির একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলাই তাদের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য। এরই ধারাবাহিকতায় গত এপ্রিলে অনুষ্ঠিত হয়েছিল ZFC 1: The Takeover। এবার দ্বিতীয় আসরের মাধ্যমে সেই ধারাবাহিকতাকে আরও বিস্তৃত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আয়োজকদের পক্ষ থেকে বলা হয়, বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির জুলকান ইনডোর এরিনাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশি ফাইটারদের জন্য আন্তর্জাতিক মানের প্রতিযোগিতার একটি স্থায়ী মঞ্চ তৈরির লক্ষ্য রয়েছে। শুক্রবারের মূল লড়াইয়ের আগে বৃহস্পতিবারের প্রেস ব্রিফিংয়ে খেলোয়াড়দের সরাসরি অংশগ্রহণ, প্রশ্নোত্তর এবং প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হয়ে বক্সিং ভঙ্গিতে পরিচয় প্রদর্শনের আয়োজনটি ZFC 2-কে ঘিরে আগ্রহ আরও বাড়িয়েছে। আগামীকাল জুলকান ইনডোর এরিনায় রিংয়ে সেই উত্তেজনারই চূড়ান্ত প্রকাশ ঘটবে।

১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬বিস্তারিত পড়ুন →
ফিফার বাধা পেরিয়ে আবারও চেনা রূপে বসুন্ধরা কিংস

ফিফার বাধা পেরিয়ে আবারও চেনা রূপে বসুন্ধরা কিংস

ফিফার সাময়িক নিষেধাজ্ঞা থেকে মুক্ত হয়েছে আবাহনী লিমিটেড, বসুন্ধরা কিংস ও ইয়াংমেনস ফকিরেরপুল ক্লাব। বকেয়া মিটিয়ে তারা লাইসেন্সিংয়ের প্রাথমিক বাধা পার করেছে। এটা দেশের ফুটবল অঙ্গনের জন্য বিরাট স্বস্তি। বসুন্ধরা কিংস ও আবাহনী ছাড়া ২০২৬-২৭ মৌসুমের লীগের কথা কল্পনা করাও কঠিন ছিল। ২০০৭ সালে পেশাদার লীগ শুরু হওয়ার পর থেকে এ দুটি ক্লাবই ছয়বার করে শিরোপা ঘরে তুলেছে। যা ফুটবল অঙ্গনে তাদের প্রভাবের বড় প্রমাণ। ​মাঠের বাইরের আলোচনা কাটিয়ে এখন দল গঠনের হিড়িক লেগেছে। মোহামেডান শুরু থেকেই ফুরফুরে মেজাজে দল গুছিয়ে বিদেশি কোচ নিশ্চিত করেছে। অন্যদিকে আবাহনী চমক দেখিয়েছে নাইজেরিয়ার হয়ে বিশ্বকাপ খেলা ফরোয়ার্ড মাইকেল বাবাতুন্দেকে দলে নিয়ে। ১৩ দলের অংশগ্রহণে আসন্ন লীগের কাগজ-কলমের শক্তি নিয়ে যেমন আলোচনা চলছে, তেমনই সাতটি দলের মূল শিরোপা দৌড়ে থাকার সম্ভাবনা মৌসুমকে জমজমাট করে তুলবে। ​২০১৮-১৯ মৌসুমে আত্মপ্রকাশের পর থেকে বসুন্ধরা কিংস কেবল একটানা পাঁচটি লীগ ট্রফি জয়ই করেনি, দেশের ফুটবল ব্যবস্থাপনার সংস্কৃতিটাই বদলে দিয়েছে। দেশের ফুটবল ইতিহাসে একটানা এতগুলো শিরোপা জয়ের রেকর্ড আর কারও নেই। নারী দলসহ তাদের ট্রফি কেবিনেটে জমা হয়েছে মোট ২০টি শিরোপা। যা এক অনন্য নজির। পেশাদারিত্ব, দায়বদ্ধতা এবং দারুণ প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর কারণে দলটি তরুণ ফুটবলপ্রেমীদের হৃদয়ে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে। ​সাম্প্রতিক সময়ের নানা পারিপার্শ্বিক সংকটে কিংস কঠিন পথ অতিক্রম করলেও পরিচালনা পর্ষদ দৃঢ় বিশ্বাস ধরে রেখেছিল। সভাপতি মো. ইমরুল হাসানের ব্যবস্থাপনা এবং বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোহবানের অব্যাহত সমর্থনে ক্লাবটি ঘুরে দাঁড়িয়েছে। শুধু ক্লাব পরিচালনা নয়, বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির মাধ্যমে হাজার হাজার কোটি টাকার ক্রীড়াকাঠামো তৈরি করে দক্ষিণ এশিয়ায় এক অভূতপূর্ব দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তারা। ​বসুন্ধরা কিংসের নজর এখন আগামী মৌসুমে সবকটি ট্রফি নিজেদের করে রাখা। জাতীয় দলের কিছু খেলোয়াড় বিদায় নিলেও রবসন রোবিনহোর প্রত্যাবর্তন এবং দেশি-বিদেশি অভিজ্ঞদের নিয়ে ৩৫ সদস্যের দল ক্লাবটিকে বিশাল মানসিক শক্তি জোগাচ্ছে। অভিজ্ঞ স্থানীয় কোচিং প্যানেলের অধীনে নিয়মিত অনুশীলন শুরু হয়ে গেছে। মাঠের লড়াইয়ে নিজেদের প্রমাণ করে ঐতিহ্য ও সুনামের পতাকাকে আবারও উঁচুতে তুলে ধরতেই প্রস্তুত বসুন্ধরা কিংস।

৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬বিস্তারিত পড়ুন →
মেসি বিদায় জানালেন আন্তর্জাতিক ফুটবলকে

মেসি বিদায় জানালেন আন্তর্জাতিক ফুটবলকে

সুদীর্ঘ ২০ বছরের আন্তর্জাতিক ফুটবল ক্যারিয়ারের ইতি টেনে জাতীয় দল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক আবেগঘন পোস্টে মেসি নিজেই বিষয়টি এ নিশ্চিত করেছেন। সোমবার (৩১ আগস্ট) এক আবেগঘন চিঠিতে নিজের সিদ্ধান্তের কথা জানান ৩৯ বছর বয়সী এই যাদুকরি ফুটবল ফরোয়ার্ড। বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হারের পর থেকেই মেসির আন্তর্জাতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা জল্পনা চলছিল। নিউইয়র্কের নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ওই ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ে ফেরান তোরেসের গোলে শিরোপা হারায় আর্জেন্টিনা। মেসি জানান, ফাইনালের ঠিক দুদিন পর ২১ জুলাই তিনি বার্তাটি লিখে রেখেছিলেন এবং সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে যাওয়া ঘটনার পর সেই সিদ্ধান্তে অবিচল থেকেই আজ অবসর ঘোষণা দিলেন। নিজের বিদায়ী বার্তায় ফুটবল জাদুকর লিখেন, "ফাইনালের পর এতগুলো দিন চিন্তা-ভাবনা করার পর, আমি সবাইকে জানাতে চাই যে আমি জাতীয় দল থেকে অবসর নিচ্ছি। এই সিদ্ধান্তটি নেওয়া ভেতরে গভীরভাবে খুব কষ্টকর ছিল এবং এখনও কষ্ট দিচ্ছে, তবে আমি বুঝি যে এটিই বিদায় জানানোর সঠিক সময়। আমি শপথ করে বলতে পারি, আমি সবসময় আমার সেরাটা উজাড় করে দিয়েছি, শুধু গত কয়েক বছরে সব শিরোপা জেতার সময় নয়, তার আগেও।" সবসময় আর্জেন্টাইন জার্সির জন্য লড়াই করেছেন জানিয়ে মেসি বিদায়ী বার্তায় আরও লিখেন, "ফুটবলের মাধ্যমে আপনাদের মুখে হাসি ফোটাতে এবং আর্জেন্টাইন হিসেবে গর্বিত করতে আমি সবসময় এই জার্সির জন্য লড়াই করেছি এবং সর্বস্ব দিয়েছি। এখন আর বেশি সময় বাকি নেই, আর জীবনের বিভিন্ন অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটছে। এটি এমন এক অধ্যায় যা আমাকে ভীষণভাবে কষ্ট দিচ্ছে। আমি জাতীয় দলের অংশ হতে ভালোবাসতাম, ভালোবেসেছি এবং সবসময় বেসে যাব। আমার যা দেওয়ার ছিল তার সবই দিয়ে ফেলেছি, এখন আর দেওয়ার মতো কিছু অবশিষ্ট নেই। তাছাড়া অনেক দুর্দান্ত উদীয়মান তরুণ খেলোয়াড় উঠে আসছে, যাদের এই দলে থাকার পূর্ণ যোগ্যতা রয়েছে। সমর্থকদের ধন্যবাদ জানিয়ে কিংবদন্তি এই ফুটবলার লিখেন, "গত ২০ বছর ধরে যে ভালোবাসা আপনারা আমাকে দিয়েছেন, তার জন্য ধন্যবাদ। মাঠের ভেতর থেকে আপনাদের উল্লাস শোনা আমি ভীষণ মিস করব। এখন থেকে আমি আপনাদের মতোই একজন হয়ে উঠব, বাইরে থেকে সবসময় দলকে সমর্থন করে যাব, ভালো সময়ে তো বটেই, খারাপ সময়ে আরও বেশি করে।" সবশেষে সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে মেসি লিখেন, "আমাকে আর্জেন্টাইন হিসেবে গড়ে তোলার জন্য ঈশ্বরকে ধন্যবাদ... ভামোস আর্জেন্টিনা!"

৩১ আগস্ট, ২০২৬বিস্তারিত পড়ুন →
বাংলাদেশের ৫৪ হকি খেলোয়াড় চীন যাচ্ছেন

বাংলাদেশের ৫৪ হকি খেলোয়াড় চীন যাচ্ছেন

বাংলাদেশের ৫৪ জন হকি খেলোয়াড় এক সঙ্গে অবস্থান করবেন চীনে। এরমধ্যে জাতীয় দলের ১৮ খেলোয়াড় এবং অনূর্ধ্ব-২০ ছেলে ও মেয়ে ৩৬ খেলোয়াড়। তিনটি দলের লক্ষ্য তিন রকম। জাতীয় দল চীনের তানজিং শহরে যাবে এশিয়ান গেমসের প্রস্তুতি নিতে এবং অনূর্ধ্ব-২০ ছেলে ও মেয়েদের দল যাবে জুনিয়ার এশিয়া কাপ খেলতে দেশটির মকিতে। জুনিয়র দুটি দলই চীন চলে যাচ্ছে আজ (২৯ আগস্ট) রাত পৌনে দশটায়। জাতীয় দলের যাওয়ার কথা ২ সেপ্টেম্বর দুপুরে। টিকিটসহ যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন হলেও জাতীয় দল এখনও ভিসা পায়নি। বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের যুগ্ম সম্পাদক আরিফুল হক প্রিন্স বলেছেন, 'সোমবারের মধ্যে ভিসা হয়ে যাবে।' জাতীয় দল অনুশীলন ও প্রস্তুতি ম্যাচ শেষ করে দেশে ফিরবে ১২ সেপ্টেম্বর। তানজিংয়ে জাতীয় হকি দল কন্ডিশনিং ক্যাম্প ও পাঁচটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে। এর মধ্যে তিনটি ম্যাচ বাংলাদেশ খেলবে চীন জাতীয় দলের বিপক্ষে। এই তিন ম্যাচ হবে আন্তর্জাতিক মর্যাদা সম্পন্ন। অন্য দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ প্রাদেশিক দলের বিপক্ষে। জাতীয় দলের ১৮ খেলোয়াড়ের সঙ্গে চীন সফরে কোচসহ পাঁচ অফিসিয়াল। জাতীয় দলের নেতৃত্বে দেবেন ফেডারেশনের সহসভাপতি সাজেদ এএ আদেল। চীন যাওয়ার আগে জাতীয় ও অনূর্ধ্ব-২০ হকি দল শেষ প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছে গতকাল শুক্রবার মওলানা ভাসানী স্টেডিয়ামে। তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচে জাতীয় দল ৪-৩ গোলে হারিয়েছে জুনিয়র দলকে। জাতীয় দলের হ্যাটট্রিক করেছেন আশরাফুল ইসলাম। অন্য গোলটি করেন রকিবুল ইসলাম রকি। জুনিয়র দলের গোলদাতা জনি, তৈয়ব ও আশরাফুল আলম।

২৯ আগস্ট, ২০২৬বিস্তারিত পড়ুন →