📍 কিশোরগঞ্জ | লোড হচ্ছে...
কিশোরগঞ্জ জেলা সংবাদ

উপজেলা সংবাদ: নিকলী

মোট খবর: 2 টি
নিকলীর ঘোড়াউত্রা নদীতে নৌকাবাইচ অনুষ্টিত
নিকলী১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

নিকলীর ঘোড়াউত্রা নদীতে নৌকাবাইচ অনুষ্টিত

রঙিন বৈঠার ছন্দে মুখর নিকলীর ঘোড়াউত্রা নদীর পানি। দুই পাড়ে অগণিত মানুষের ঢল। বেশ কয়েক বছর পর কিশোরগঞ্জের নিকলীর ঘোড়াউত্রা নদীতে ফিরেছে গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার প্রেম ঘাট এলাকায় সম্মিলিত নাগরিক সমাজের আয়োজনে প্রায় ৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এ নৌকাবাইচ অনুষ্ঠিত হয়। এতে কিশোরগঞ্জসহ আশেপাশের জেলার ছোট-বড় অন্তত ১২টি নৌকা অংশ নেয়। মাঝিদের বৈঠার ছন্দময় ওঠানামা, ‘হেইও’ ধ্বনি আর নদীর দুই পাড়ে দাঁড়িয়ে থাকা দর্শকদের উচ্ছ্বাসে মুখর হয়ে ওঠে চারপাশ। কখনো একটি নৌকা এগিয়ে যায়, পরক্ষণেই সেটিকে পেছনে ফেলে সামনে চলে যায় আরেকটি। শেষ পর্যন্ত কে জিতবে, তা নিয়ে দর্শকদের মধ্যেও ছিল টানটান উত্তেজনা। এই নৌকাবাইচে কিশোরগঞ্জের বিভিন্ন এলাকার পাশাপাশি বৃহত্তর সিলেট, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও নেত্রকোনা থেকেও প্রতিযোগীরা অংশ নেন। নৌকাবাইচকে ঘিরে সকাল থেকেই নদীর দুই পাড়ে মানুষের ভিড় বাড়তে থাকে। বিকেলে সেই ভিড় রূপ নেয় জনসমাগমে। নানা বয়সী মানুষ নৌকার প্রতিযোগিতা উপভোগ করেন। অনেকে মুঠোফোনে ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন। শিশু-কিশোরদের মধ্যে ছিল বাড়তি কৌতূহল। স্থানীয় কয়েকজন বলেন, হাওরাঞ্চলের মানুষের কাছে নৌকাবাইচ শুধু প্রতিযোগিতা নয়, এটি গ্রামবাংলার লোকজ সংস্কৃতিরও গুরুত্বপূর্ণ অংশ। একসময় বর্ষায় হাওরের বিস্তীর্ণ জলরাশিতে নিয়মিত নৌকাবাইচ অনুষ্ঠিত হলেও সময়ের সঙ্গে তা অনেকটাই কমে এসেছে। আয়োজক কমিটির সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মো. মানিক মিয়া বলেন, নতুন প্রজন্মের অনেকেই নৌকাবাইচের সঙ্গে পরিচিত নয়। হারিয়ে যেতে বসা এই ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতেই এ আয়োজন করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও নিয়মিত এমন আয়োজনের মাধ্যমে হাওরের লোকজ সংস্কৃতি ধরে রাখার প্রত্যাশা তাদের। প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জনকারী নিকলী সদরের মোহরকোনা দল পুরস্কার হিসেবে একটি মোটরসাইকেল, দ্বিতীয় স্থান অর্জনকারী ব্রাহ্মণবাড়িয়া দল একটি এলইডি টিভি এবং তৃতীয় স্থান অর্জনকারী সরাইল এক্সপ্রেস দল একটি মোবাইল ফোন পেয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন কিশোরগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল। বিশেষ অতিথি ছিলেন নিকলীর ইউএনও শামীম আরা, উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোকারম সর্দারসহ অনেকে।

সম্পূর্ণ সংবাদ পড়ুন →
নিকলী হাওরে ঘুরতে হলে নৌকা ভাড়া কত, জানালেন মাঝি
নিকলী৩০ আগস্ট, ২০২৬

নিকলী হাওরে ঘুরতে হলে নৌকা ভাড়া কত, জানালেন মাঝি

বর্ষা মৌসুম এলেই কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলে পর্যটকদের ঢল নামে। জেলার প্রায় দেড় হাজার বর্গকিলোমিটার হাওরাঞ্চলের থৈ থৈ পানি দেখতে ছুটে আসেন ভ্রমণপিপাসুরা। জেলার নিকলী উপজেলার বেড়িবাঁধ, করিমগঞ্জ উপজেলার বালিখলা, এবং বাজিতপুর উপজেলার পাটুলী ঘাট থেকেই মূলত শুরু হয় হাওর ভ্রমণ। এসব যায়গা থেকে পর্যটকেরা ইঞ্জিনচালিত নৌকাযোগে ঘুরতে যান শতভাগ হাওর অধ্যুষিত উপজেলা ইটনা, মিঠামইন এবং অষ্টগ্রামে। পানির বুক চিরে ওই তিন উপজেলাকে সংযুক্ত করেছে ৩০ কিলোমিটার দৃষ্টিনন্দন অল ওয়েদার সড়ক। যা কিশোরগঞ্জ হাওর পর্যটনের প্রধান আকর্ষণ। এছাড়াও দিগন্ত বিস্তৃত জলরাশিতে নৌকায় ভাসতে ভাসতে পানির মাঝে ভেসে থাকা হাওরের গ্রামগুলো দেখে অভিভূত হন পর্যটকেরা। এছাড়াও জেলার হাওরাঞ্চলে ঐতিহাসিক বেশ কয়েকটি নিদর্শন রয়েছে। নিকলী থেকে বড় নৌকা ভাড়া করে হাওরে ঘুরতে সারাদিনের জন্য মাঝিরা নেন ৩ হাজার থেকে ৪ হাজার টাকা। তবে, শুক্রবার এবং শনিবারে এ ভাড়া ৫ থেকে ৬ হাজারে দাঁড়ায়। প্রতিটি নৌকায় সর্বোচ ২৫ জন পর্যটক ঘুরতে পারেন। নিকলী বেড়িবাঁধে দাড়িয়ে কথাগুলো বলছিলেন নৌকার মাঝি হুসাইন। তিনি আরও বলেন, ঘন্টা চুক্তিতেও নৌকা ভাড়া নেওয়া যায়। প্রতি ঘন্টা ৪০০ থেকে ৫০০ টাকায় হাওরের জলরাশিতে ঘুরে আনন্দ করা যায়।

সম্পূর্ণ সংবাদ পড়ুন →