📍 কিশোরগঞ্জ | লোড হচ্ছে...
স্বাস্থ্য

অক্টোবরে খাবারের তালিকায় রাখুন যেসব খাবার, মিলবে নানা উপকার

নিজস্ব প্রতিবেদক / কিশোরগঞ্জ জার্নাল ২ অক্টোবর, ২০২৬
শেয়ার:
অক্টোবরে খাবারের তালিকায় রাখুন যেসব খাবার, মিলবে নানা উপকার
📷 ছবি: প্রতীকী (AI)
ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে আবহাওয়া যেমন বদলে যায়, তেমনি পরিবর্তন আসে খাবারের ধরনেও। অক্টোবর মাসে শরৎ বিদায়ের পথে, সামনে হেমন্ত। এ সময় গরম ও বৃষ্টির প্রভাব কমে গিয়ে ধীরে ধীরে হালকা শীতের অনুভূতি তৈরি হয়। আবহাওয়ার এই পরিবর্তনের সময়ে অনেকের সর্দি, কাশি, ফ্লু কিংবা রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কমে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই শরীর সুস্থ ও সতেজ রাখতে এ সময়ের মৌসুমি খাবার খাদ্যতালিকায় রাখা যেতে পারে। অক্টোবর মাসে কোন খাবারগুলো উপকারী হতে পারে, তা জেনে নেওয়া যাক। মিষ্টি কুমড়া ও কুমড়ার বীজ অক্টোবরের খাদ্যতালিকায় মিষ্টি কুমড়া রাখা যেতে পারে। এতে থাকা বিটা-ক্যারোটিন শরীরে গিয়ে ভিটামিন এ-তে রূপান্তরিত হয়। ভিটামিন এ চোখের দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে ভূমিকা রাখে। অন্যদিকে কুমড়ার বীজে রয়েছে জিংক ও ম্যাগনেশিয়াম। এসব উপাদান শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক। সাইট্রাস ফল অক্টোবরের সময়ে কমলালেবু, পাতিলেবু ও বাতাবি লেবুর মতো বিভিন্ন সাইট্রাস ফল পাওয়া যায়। এসব ফলে ভিটামিন সি ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে। ঋতু পরিবর্তনের সময় ভিটামিন সি শরীরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এটি শ্বেত রক্তকণিকা তৈরিতে ভূমিকা রাখে, যা সংক্রমণের বিরুদ্ধে শরীরকে লড়তে সহায়তা করে। আপেল ও নাশপাতি শরৎ থেকে হেমন্তে যাওয়ার এই সময়ে আপেল ও নাশপাতিও খাদ্যতালিকায় রাখা যেতে পারে। দুই ধরনের ফলেই দ্রবণীয় আঁশ রয়েছে। এই আঁশ হজমে সহায়তা করে, কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে সাহায্য করে এবং রক্তের কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণেও ভূমিকা রাখে। পালংশাক ও শীতকালীন শাকসবজি অক্টোবরের মাঝামাঝি সময় থেকে বাজারে পালংশাক, মুলাশাক ও সরিষাশাকের মতো সবুজ শাকসবজি পাওয়া যেতে শুরু করে। পালংশাকে রয়েছে আয়রন, ফোলেট ও ক্যালসিয়াম। এসব পুষ্টি উপাদান রক্তশূন্যতা দূর করতে, হাড়ের শক্তি ধরে রাখতে এবং শরীরে শক্তি বজায় রাখতে সহায়তা করে। আদা, রসুন ও হলুদ আবহাওয়ার পরিবর্তনের সময় রান্নায় আদা, রসুন ও হলুদের ব্যবহার বাড়ানো যেতে পারে। এসব উপাদানে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি ও অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল গুণ রয়েছে। কাঁচা আদা ও কাঁচা হলুদ খাওয়া কিংবা রান্নায় রসুনের ব্যবহার বাড়ানোর মাধ্যমে শরীরের উষ্ণতা বজায় রাখা এবং গলার খুসখুসে ভাব বা কাশির সমস্যা উপশমে সহায়তা পাওয়া যেতে পারে। ওটস অক্টোবরের হালকা ঠান্ডা সকালে নাশতায় ওটস রাখা যেতে পারে। এটি আঁশযুক্ত খাবার হওয়ায় দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে এবং শরীরে স্থায়ী শক্তি জোগায়। ফলে ঘন ঘন ক্ষুধা লাগার প্রবণতা কমতে পারে, যা ওজন নিয়ন্ত্রণেও সহায়ক। যেসব খাবার এড়িয়ে চলবেন অক্টোবরে কিছু খাবার এড়িয়ে চলার বিষয়েও সতর্ক থাকা দরকার। আবহাওয়ার পরিবর্তনের সময়ে অতিরিক্ত ঠান্ডা পানি, আইসক্রিম বা কোমল পানীয় পান করলে গলা ও শ্বাসতন্ত্রের বিভিন্ন সমস্যা বাড়তে পারে। গলাব্যথা, টনসিল বা সাইনাসের সমস্যাও দেখা দিতে পারে। এ ছাড়া রাস্তার পাশের খোলা খাবার, ফুচকা বা চটপটি খাওয়ার ক্ষেত্রেও সতর্ক থাকা প্রয়োজন। এসব খাবারে ধুলাবালি ও জীবাণু মিশে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। একইভাবে বাসি খাবারে ফাঙ্গাস তৈরি হতে পারে, যা খেলে ফুড পয়জনিং, ডায়রিয়া কিংবা পেটের বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে।
← প্রচ্ছদে ফিরে যানকিশোরগঞ্জ জার্নাল অনলাইন

আরও পড়ুন

আরও খবর →