📍 কিশোরগঞ্জ | লোড হচ্ছে...
আন্তর্জাতিক

দুই দফা প্রাণঘাতী ইনজেকশনেও মৃত্যু হয়নি, হাসপাতালে নেওয়া হলো মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত নারীকে

নিজস্ব প্রতিবেদক / কিশোরগঞ্জ জার্নাল ১ অক্টোবর, ২০২৬
শেয়ার:
দুই দফা প্রাণঘাতী ইনজেকশনেও মৃত্যু হয়নি, হাসপাতালে নেওয়া হলো মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত নারীকে
📷 ছবি- সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সময় বিরল এক ঘটনা ঘটেছে। দুই দফা প্রাণঘাতী ইনজেকশন দেওয়ার পরও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ক্রিস্টা পাইকের মৃত্যু হয়নি। পরে অচেতন অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। স্থানীয় সময় বুধবার রাত ৮টার দিকে ন্যাশভিলের রিভারবেন্ড ম্যাক্সিমাম সিকিউরিটি ইনস্টিটিউশনে পাইকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের প্রক্রিয়া শুরু হয়। তবে দুই দফা ইনজেকশন দেওয়ার পরও তিনি জীবিত থাকায় নির্ধারিত প্রক্রিয়াটি ব্যর্থ হয়। পাইকের আইনজীবী জানিয়েছেন, তাকে হাসপাতালে নেওয়ার পর জীবন রক্ষাকারী চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাইককে পেন্টোবারবিটালের দুটি ডোজ দেওয়া হয়েছিল। এ সময় প্রত্যক্ষদর্শীদের জন্য নির্ধারিত কক্ষের পর্দা দুইবার বন্ধ করা হয়। একপর্যায়ে সেখানে উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীদেরও চলে যেতে বলা হয়। আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের প্রক্রিয়া চলার সময় পাইকের আইনজীবীরা জরুরি ভিত্তিতে তা বন্ধের আবেদন করেন। তাদের আবেদনে বলা হয়, পাইক অচেতন হয়ে পড়লেও তার হৃদস্পন্দন চলছিল এবং তিনি নাক ডাকছিলেন। পাইকের একজন আইনজীবী বিবিসিকে জানান, ৫০ বছর বয়সী ওই নারীকে হাসপাতালে নিয়ে জীবন রক্ষাকারী চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ১৯ বছর বয়সী কোলিন স্লেমারকে হত্যার দায়ে ১৯৯৬ সালে ক্রিস্টা পাইককে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। ওই সময় তার বয়স ছিল ১৮ বছর। তৎকালীন প্রেমিক ট্যাডারিল শিপের সঙ্গে মিলে স্লেমারকে মারধর, নির্যাতন ও হত্যার অভিযোগে তিনি দোষী সাব্যস্ত হন। সমস্যাগ্রস্ত কিশোর-কিশোরীদের জন্য পরিচালিত একটি কর্মপ্রশিক্ষণ শিবিরে তাদের সঙ্গে স্লেমারের পরিচয় হয়েছিল। পাইকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগ পর্যন্ত বিষয়টি নিয়ে আইনি লড়াই চলছিল। শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট প্রাণঘাতী ইনজেকশনের মাধ্যমে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের অনুমতি দেয়। এপি জানিয়েছে, টেনেসির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের নিয়ম অনুযায়ী, প্রথম দফায় দেওয়া ওষুধে বন্দির মৃত্যু না হলে দ্বিতীয় দফায় ব্যবহারের জন্য অতিরিক্ত ওষুধের সিরিঞ্জ প্রস্তুত রাখা হয়। তবে দ্বিতীয় দফার ওষুধ দেওয়ার পরও বন্দি জীবিত থাকলে পরবর্তী সময়ে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, সে বিষয়ে ওই প্রটোকলে নির্দিষ্ট কোনো নির্দেশনা নেই। ঘটনার পর টেনেসির গভর্নর বিল লি বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ঠিক কী ঘটেছিল তা বের করতে সমন্বিত তৃতীয় পক্ষের পর্যালোচনা করা হবে। গভর্নর আরও জানিয়েছেন, এ বছর টেনেসিতে নির্ধারিত সর্বশেষ মৃত্যুদণ্ড আর কার্যকর করা হবে না।
← প্রচ্ছদে ফিরে যানকিশোরগঞ্জ জার্নাল অনলাইন

আরও পড়ুন

আরও খবর →