📍 কিশোরগঞ্জ | লোড হচ্ছে...
ব্রেকিং নিউজ
▪সেতুর ফুটপাত ঢালাইয়ে রডের পরিবর্তে বাঁশ, এলজিইডির কর্মকর্তা সাময়িক বরখাস্ত▪আফতাবনগর-বনশ্রী যাতায়াতে স্বস্তি, উদ্বোধন হলো ফুটওভার ব্রিজ▪গণশুনানিতে মানুষের ভরসার জায়গা হয়ে উঠেছেন গাজীপুরের ডিসি▪যুক্তরাষ্ট্রে পা রাখলেন শি জিনপিং, বিমানবন্দরে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানালেন ট্রাম্প▪সরকারি ভবনের ছাদে সোলার প্যানেল, উৎপাদন হবে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ▪প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গেটস ফাউন্ডেশনের সিইও মার্ক সুজম্যানের বৈঠক▪গণতন্ত্র ধ্বংস ও ভোটের অধিকার লুণ্ঠিত করার ষড়যন্ত্র চলছে: কিশোরগঞ্জে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী▪স্কালোনির সাথে ২০৩০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত থাকছে আর্জেন্টিনা, চুক্তি নবায়নে সবুজ সংকেত
সারাদেশ

বেগমগঞ্জে সেতুর কাজে বাঁশ ব্যবহারের অভিযোগে দুই কর্মকর্তা বরখাস্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক / কিশোরগঞ্জ জার্নাল ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
শেয়ার:
বেগমগঞ্জে সেতুর কাজে বাঁশ ব্যবহারের অভিযোগে দুই কর্মকর্তা বরখাস্ত
📷 ছবি- সংগৃহীত
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে নির্মাণাধীন একটি সেতুর ফুটপাতের স্ল্যাব ও রেলিং তৈরিতে নির্ধারিত নির্মাণসামগ্রীর পরিবর্তে বাঁশ ব্যবহার এবং নিম্নমানের কাজের অভিযোগে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) দুই কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তারা হলেন—উপসহকারী প্রকৌশলী মো. নাজমুল ইসলাম ও কার্যসহকারী মো. মহিন উদ্দিন। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী বেলাল হোসেন স্বাক্ষরিত পৃথক দুটি অফিস আদেশে তাঁদের বিরুদ্ধে এ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। অফিস আদেশে বলা হয়েছে, সেতু নির্মাণে নির্ধারিত সামগ্রীর পরিবর্তে বাঁশ ব্যবহারের ঘটনায় সরকারের ভাবমূর্তি গুরুতরভাবে ক্ষুণ্ন হয়েছে। অসদাচরণ ও দুর্নীতির অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সরকারি চাকরি বিধিমালার ১২(১) বিধি অনুযায়ী তাঁদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তবে বরখাস্তকালীন সময়ে বিধি অনুযায়ী তাঁরা খোরাকি/ভরণপোষণ ভাতা পাবেন। এলজিইডি সূত্রে জানা গেছে, বেগমগঞ্জ উপজেলার জমিদারহাট থেকে সাহেবেরহাট ও হাসানহাট হয়ে মাইজদী আঞ্চলিক মহাসড়কের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের জন্য ৪৯ দশমিক ০৬ মিটার দীর্ঘ সেতুটি নির্মাণ করা হচ্ছে। সেতুটির নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘মেসার্স হক ট্রেডার্স’। গত ২১ সেপ্টেম্বর এলজিইডির সুপারিনটেনডিং ইঞ্জিনিয়ার, ল্যাবরেটরি টেকনিশিয়ান এবং সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা নির্মাণাধীন সেতুটি যৌথভাবে পরিদর্শন করেন। এ সময় সেতুর ফুটপাতের স্ল্যাবের ঢালাইয়ের কাজে গুরুতর অনিয়মের বিষয়টি ধরা পড়ে। পরিদর্শনকারীরা দেখতে পান, ফুটপাতের স্ল্যাবের ঢালাই অত্যন্ত নিম্নমানের এবং কাজটি অনুমোদিত নকশা ও নির্ধারিত স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী করা হয়নি। একই সঙ্গে সেতুর রেলিং নির্মাণে ব্যবহৃত রডের গুণগত মান নিয়েও গুরুতর প্রশ্ন ওঠে। অনিয়মের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর নোয়াখালী জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী যুগল কৃষ্ণ মণ্ডল, বেগমগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী আবুল মনসুর আহমেদ, উপসহকারী প্রকৌশলী মো. নাজমুল ইসলাম এবং কার্যসহকারী মো. মহিন উদ্দিনকে পৃথক চারটি চিঠি দেওয়া হয়। এর মধ্যে দুই প্রকৌশলীর কাছে অনিয়মের বিষয়ে কৈফিয়ত তলব করা হয়েছে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে নিজস্ব অর্থায়নে ত্রুটিপূর্ণ নির্মাণকাজ দ্রুত সংশোধনের জন্য কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ঘটনাটি তদন্তে এলজিইডির নোয়াখালী জেলার তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এ এস এম মহসীনকে তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগের বিষয়গুলো বিস্তারিতভাবে তদন্ত করে তিন কার্যদিবসের মধ্যে আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদন দাখিল করতে তাঁকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এলজিইডির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তদন্তে অভিযোগের সত্যতা ও দায়-দায়িত্ব নির্ধারণের পর বিধি অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
← প্রচ্ছদে ফিরে যানকিশোরগঞ্জ জার্নাল অনলাইন

আরও পড়ুন

আরও খবর →