📍 কিশোরগঞ্জ | লোড হচ্ছে...
আন্তর্জাতিক

ইরান সংশ্লিষ্ট হুমকির আশঙ্কায় যুক্তরাজ্যের ঘাঁটি থেকে মার্কিন বোমারু বিমান সরাল যুক্তরাষ্ট্র

নিজস্ব প্রতিবেদক / কিশোরগঞ্জ জার্নাল ৬ অক্টোবর, ২০২৬
শেয়ার:
ইরান সংশ্লিষ্ট হুমকির আশঙ্কায় যুক্তরাজ্যের ঘাঁটি থেকে মার্কিন বোমারু বিমান সরাল যুক্তরাষ্ট্র
📷 ছবি: সংগৃহীত
ইরানের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি হুমকির আশঙ্কায় যুক্তরাজ্যের একটি ঘাঁটি থেকে মার্কিন বি-১ বোমারু বিমান সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার তিনি এই তথ্য জানান। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স। বিমানগুলো রাখা হয়েছিল আরএএফ ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটিতে, যা ইউরোপে মার্কিন বোমারু বিমান মোতায়েনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের পছন্দের একটি স্থান। সম্প্রতি ইরানে চালানো মার্কিন হামলায় এসব বিমানই ব্যবহার করা হয়েছিল। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, গত সপ্তাহে এই ঘাঁটির কাছেই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রস্তুতির সন্দেহে পাঁচজন ব্রিটিশ নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডস এই ঘাঁটিকে একটি বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে উল্লেখ করেছিল। সোমবার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ট্রাম্প বলেন, তাদের ধারণা ছিল সেখানে একটি সম্ভাব্য হুমকি রয়েছে, আর তাই বিমানগুলো সেখানে রেখে দেওয়ার কোনো যুক্তি তিনি খুঁজে পাননি। তার ভাষায়, বিমান সরিয়ে নিতে খুব সামান্যই খরচ হয়, তাই হুমকি পাওয়ার পর সেগুলো সরিয়ে নেওয়াই তাদের সাধারণ অনুশীলন, যা পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। যারা এই হুমকি দিয়েছে, তাদের সম্পর্কে তারা অবগত বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এসব ব্যক্তির সঙ্গে ইরানের সংশ্লিষ্টতা আছে কি না—জানতে চাইলে ট্রাম্প সংক্ষেপে বলেন, তাদের সংযোগ ইরানের সঙ্গেই থাকবে। এর আগে সোমবার ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জানান, সতর্কতার অংশ হিসেবেই যুক্তরাষ্ট্র এই বোমারু বিমান সরিয়ে নিয়েছে। তার ভাষ্যে, তারা কিছুটা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গেই মনে করেন, ইরানি রাষ্ট্র গত ৪৯ বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য দেশের বিরুদ্ধে যে সন্ত্রাসী তৎপরতা চালিয়ে আসছে, তারা এবারও সে ধরনের কিছুরই চেষ্টা করছে। তাই এ বিষয়ে তারা অত্যন্ত সতর্ক অবস্থানে আছেন বলে জানান তিনি। তবে ভিন্ন সুর শোনা গেছে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর কণ্ঠে। তিনি বলেন, বোমারু বিমান হঠাৎ সরিয়ে নেওয়া এবং সন্দেহভাজন ইরানি চক্রান্তের মধ্যে সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই। তার মতে, পেন্টাগন সব সময়ই প্রয়োজন অনুযায়ী তাদের সামরিক সম্পদ পুনর্বণ্টন করে থাকে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সব ঘাঁটির নিরাপত্তা নিয়ে তারা আত্মবিশ্বাসী বলেও মন্তব্য করেন রুবিও। এদিকে ঘটনার অনেক দিক এখনো স্পষ্ট না হলেও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম মন্তব্য করেছেন, কোনো চক্রান্ত সত্যিই থাকলে তার পেছনে ইরানের সমর্থন থাকার সম্ভাবনাই বেশি। তবে ইরান এই অভিযোগ সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লেখেন, বিদেশি রাষ্ট্রের হয়ে কাজ করা তথাকথিত সন্ত্রাসীদের ছেড়ে দেওয়ার মধ্যেই ইরানের অবস্থান স্পষ্ট হয়ে যায় এবং এক্ষেত্রে ভুল জায়গায় দোষারোপ করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
← প্রচ্ছদে ফিরে যানকিশোরগঞ্জ জার্নাল অনলাইন

আরও পড়ুন

আরও খবর →