ত্রিদেশীয় সিরিজে শিরোপা জয়ের স্বপ্ন লিটনদের

ক্রিকেটে ত্রিদেশীয় সিরিজের প্রচলন আগের তুলনায় কমে এলেও এ ধরনের টুর্নামেন্টে শিরোপা জয়ের স্মৃতি রয়েছে বাংলাদেশের। ২০১৯ ওয়ানডে বিশ্বকাপের আগে ইংল্যান্ডের মাটিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজের চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল টাইগাররা। এখন পর্যন্ত ১৫টি ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলে মাত্র একবার শিরোপা জিতেছে বাংলাদেশ।
এবার আরও একটি ট্রফি জয়ের সুযোগ এসেছে লিটন দাসের দলের সামনে। আবুধাবিতে আজ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে মাঠে নামবে বাংলাদেশ। সিরিজের অপর দল আফগানিস্তান। শিরোপা জয়ের পাশাপাশি আসন্ন এশিয়া কাপের প্রস্তুতি সেরে নেওয়াও এই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের অন্যতম লক্ষ্য।
দলের লক্ষ্য নিয়ে অধিনায়ক লিটন দাস জানিয়েছেন, নিজেদের সেরা ক্রিকেট খেলতে পারলে শিরোপা জেতা সম্ভব। তাঁর বিশ্বাস, দলে প্রতিভাবান ক্রিকেটারের অভাব নেই। সিনিয়র খেলোয়াড়েরা নিজেদের সেরাটা দিতে পারলে যেকোনো অর্জন সম্ভব।
লিটন বলেন, ‘আপনি যদি দেখেন, এই দল অনেক ভালো ভালো সিরিজ খেলেছে। বিশেষ করে ঘরের মাঠে। আমার কাছে মনে হয়, এই দলে অনেক প্রতিভাবান খেলোয়াড় আছে। আর আমরা যারা সিনিয়র আছি, তারা যদি সেরা ক্রিকেটটা খেলতে পারি, তাহলে সবকিছু সম্ভব।’
123 এশিয়া কাপের প্রস্তুতিও নিতে চায় বাংলাদেশ
সামনেই এশিয়া কাপ। এই মহাদেশীয় টুর্নামেন্টের আগে ত্রিদেশীয় সিরিজকে নিজেদের প্রস্তুত করার বড় সুযোগ হিসেবে দেখছেন লিটন। তাঁর মতে, এখানে ভালো খেলতে পারলে এশিয়া কাপের আগে দলের আত্মবিশ্বাস বাড়বে।
বাংলাদেশ অধিনায়ক বলেন, ‘অবশ্যই এখানে বড় সুযোগ। আমার জন্য অধিনায়ক হিসেবে বড় সুযোগ। সামনে এশিয়া কাপ ও বিশ্বকাপ আছে। এশিয়া কাপ বাংলাদেশে হবে। এটাই আমাদের জন্য ভালো প্রস্তুতি হবে। এশিয়া কাপে পাঁচ-ছয়টি দল খেলে, এখানে তিনটি দল। কাছাকাছি ব্যাপারই। যদি ভালো ক্রিকেট খেলি, তাহলে কেন নয় (চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সুযোগ)?’
123 ত্রিদেশীয় সিরিজে বাড়তি চাপের চ্যালেঞ্জ
তবে এ ধরনের টুর্নামেন্টে বাড়তি চাপের বিষয়টিও তুলে ধরেছেন লিটন। তাঁর মতে, তিনটি দলেরই লক্ষ্য থাকে ফাইনালে জায়গা করে নেওয়া। একটি ম্যাচে হেরে গেলে রানরেটের হিসাবও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
লিটন বলেন, ‘ত্রিদেশীয় সিরিজ খেললে একটা বাড়তি চাপ থাকে। তিনটা দলের জন্য একই রকম চাপ থাকবে যে ফাইনালে উঠতে হবে। আপনি যখন সিরিজ খেলেন, তখন তেমন একটা চাপ আসে না। কারণ, আপনি জানেন প্রথম ম্যাচ হেরে গেলেও একটা সুযোগ থাকে। কিন্তু এখানে হেরে গেলে রানরেটের বিষয় চলে আসে।’
সব মিলিয়ে জিম্বাবুয়ে ও আফগানিস্তানের বিপক্ষে নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়ে শিরোপা জিততে চায় বাংলাদেশ। একই সঙ্গে এশিয়া কাপের আগে দলের সমন্বয় ও আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে নেওয়াই থাকবে লিটনদের অন্যতম লক্ষ্য।
← প্রচ্ছদে ফিরে যানকিশোরগঞ্জ জার্নাল অনলাইন



